মোদী-শি বৈঠকের আগেই বড় প্রাপ্তি, আবর্জনা থেকে মুক্তি পেল ঐতিহাসিক হ্রদ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরিত্যক্ত পড়েছিল বহু বছর। নুড়ি-পাথরের স্তর জমেছিল চারধারে। টলটলে জলে পড়েছিল দূষণের ছায়া। মোদী-শি-র বৈছকের আগেই মমল্লাপুরমের ইতিহাসপ্রসিদ্ধ প্রাচীন সেই হ্রদই সেজে উঠল নতুন করে। পাথরের আস্তরণ সরিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে শ
শেষ আপডেট: 10 October 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরিত্যক্ত পড়েছিল বহু বছর। নুড়ি-পাথরের স্তর জমেছিল চারধারে। টলটলে জলে পড়েছিল দূষণের ছায়া। মোদী-শি-র বৈছকের আগেই মমল্লাপুরমের ইতিহাসপ্রসিদ্ধ প্রাচীন সেই হ্রদই সেজে উঠল নতুন করে। পাথরের আস্তরণ সরিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে শতাব্দী-প্রাচীন এই হ্রদের ভোলই বদলে দেওয়া হল।
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকার যে শহরের পুরাকীর্তি জায়গা করে নিয়েছে, ভারত-চিন আদি বাণিজ্যপথ এবং প্রাচীন বুদ্ধ-করিডরের স্মৃতিকে সামনে এনে ফের গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে মমল্লাপুরম। পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রায় তেরশো বছরের পুরনো ভারত-চিন সম্পর্কের ধারাবাহিকতাকে সামনে এনে ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির নতুন বার্তা চিনা প্রেসিডেন্টকে দিতে চাইছে মোদী সরকার। ঐতিহাসিক এই স্থানের মাহাত্ম্য ধরে রাখতে তাই নতুন করে সাজানো হয়েছে এই হ্রদকে।
কোনেরি লেক। 'কো' মানে গরু এবং ‘নেরি’ মানে লেক বা হ্রদ। এই দুয়ে মিলেই কোনেরি হ্রদ। লাইট হাউসের পিছনে প্রায় ৭ একর এলাকা জুড়ে এই হ্রদের জল একসময় পানীয় হিসেবে ব্যবহার করা হত। তারপর ইতিহাসের বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হ্রদটিও হারিয়ে যায়। পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকে বহু বছর। একসময় আবর্জনার স্তুপ হয়ে ওঠে। সম্প্রতি হ্রদটির মেরামতির কাজ করেছে ‘এনভায়রমেন্টালিস্ট ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়া।’ ইএফআই-এর ডিরেক্টর অরুণ কৃষ্ণমূর্তি বলেছেন, "মমল্লাপুরমের ট্যুরিস্ট স্পটের কাছেই পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছিল এই হ্রদ। এতটাই আবর্জনা জমেছিল এবং কচুরিপানায় ঢেকে গিয়েছিল হ্রদের জল, যে সাফসুতরো করার পরে চমকে ওঠেন অনেকেই। স্থানীয়দেরও বুঝতে অসুবিধা হচ্ছিল এমন একটা লেক রাতারাতি কীভাবে গজিয়ে উঠল। " মোট ২৮ দিন লেগেছে হ্রদটিকে নতুন করে গড়ে তুলচে, জানিয়েছেন অরুণ কৃষ্ণমূর্তি।

ইএফআই-এর ডিরেক্টর আরও বলেছেন, এই হ্রদটিকে ঘিরেই গড়ে উঠবে একটা আস্ত উদ্যান। তৈরি হবে বাঁশ বন। নানা রকম গাছের চারা পোঁতা হবে। তামিলনাড়ু দেখিয়ে দেবে সবুজ রক্ষা এবং জল সংরক্ষণে তারা কোনও অংশেই পিছিয়ে নেই।
শতাব্দী প্রাচীন হ্রদের পুনরুদ্ধারে সবচেয়ে খুশি স্থানীয়রা। আন্না নগরের বাসিন্দা সি গোবিন্দস্বামী বলেছেন, ‘‘’এক দশক আগেই এখানকার মাটির নীচের জলস্তর প্রায় ৩৫ ফুট নেমে গেছে। এই হ্রদটির পুনরুদ্ধারে জলের ঘাটতি অনেকটাই মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে। ’
পড়ুন, দ্য ওয়ালের পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা...
https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%aa-%e0%a6%ad/