২০২০ দারুণ কাটুক, টুইট করে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন বছরের প্রথম দিন টুইট করে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টানা দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পরে এটিই তাঁর প্রথম নববর্ষ। ২০১৪ সালের চেয়েও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গত বছর ক্ষমতায় ফেরেন নরেন্দ্র মোদী।
শেষ আপডেট: 1 January 2020 06:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন বছরের প্রথম দিন টুইট করে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টানা দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পরে এটিই তাঁর প্রথম নববর্ষ। ২০১৪ সালের চেয়েও বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গত বছর ক্ষমতায় ফেরেন নরেন্দ্র মোদী।
“২০২০ সাল খুব ভাল কাটুক। জীবন ভরে উঠুক আনন্দ ও সাফল্যে। প্রত্যেকের শরীরস্বাস্থ্য ভাল থাকুক এবং আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক” বলে টুইটে লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী।
https://twitter.com/narendramodi/status/1212185312144674817
২০১৯ সালের শেষ দিন, অর্থাৎ মঙ্গলবারও টুইট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই টুইটে তিনি ২০১৯ সালের সাফল্য এবং ২০২০ সালে কী অর্জন করতে চান সেই আশা প্রকাশ করেন।
টুইটে তিনি লেখেন ২০১৯ সালের সাফল্যের কথা। তিনি বলেছেন এক বছরে অনেক অভীষ্টে পৌঁছনো সম্ভব হয়েছে। ২০২০ সালেও সেই ধারা বজায় থাকবে দেশের ১৩০ কোটি মানুষের ক্ষমতায়ন হবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।
https://twitter.com/narendramodi/status/1211991759456129024
তিনি একটি মন্তাজ তিনি ব্যবহার করেছেন যেখানে একজন মহিলাকে তট ধরে ছুটে চলেছেন, তার পরের ছবিতেই ধরা হয়েছে সর্দার বল্লভভাই পটেলের মূর্তি যা স্ট্যাচু অফ ইউনিটি।
নতুন বছরে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে ফের এসএমএস পরিষেবা চালু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাঁচ মাস এখানে বন্ধ ছল এসএমএস পরিষেবা।
৩১ ডিসেম্বর মাঝরাত থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয় বর্ষবরণ। আতসবাজি পোড়ানো হয় রাজধানী দিল্লি-সহ সারা দেশে। দেশজুড়ে এখনও উৎসবের মেজাজ। তবে এর মধ্যেই দিল্লির শহিদবাগে ভীষণ ঠান্ডা উপেক্ষা করে রাতভর প্রতিবাদ জানানো হয় নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইনের বিরোধিতা করে।
ভারতের প্রতিবেশী তিন দেশ থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের জন্য যে সব সংখ্যালঘু ভারতে আসছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দিতে আইন করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। সরকার জানিয়েছে, কোনও মুসলিম দেশে একজন মুসলমান কখনওই ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হতে পারেন না। সেই কারণেই তাঁদের এই আইনের মধ্যে রাখা হয়নি। বিরোধিরা এই আইনের প্রতিবাদ করছে দেশ জুড়ে প্রশ্ন উঠছে সরকারের শরিক দলের মধ্যেও।

ভারতের প্রতিবেশী তিন দেশ থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের জন্য যে সব সংখ্যালঘু ভারতে আসছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দিতে আইন করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। সরকার জানিয়েছে, কোনও মুসলিম দেশে একজন মুসলমান কখনওই ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হতে পারেন না। সেই কারণেই তাঁদের এই আইনের মধ্যে রাখা হয়নি। বিরোধিরা এই আইনের প্রতিবাদ করছে দেশ জুড়ে প্রশ্ন উঠছে সরকারের শরিক দলের মধ্যেও।
দেশজুড়ে হিংসাত্মক প্রতিবাদ হয়েছে, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করা হয়েছে, আগুন দেওয়া হয়েছে ট্রেনে। প্রতিবাদ আন্দোলনে রাশ টানতে গুলি চালিয়েছে পুলিশ। তাতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি উত্তরপ্রদেশে।