দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্বৈত সংকটের মধ্যে দেশ। একদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলার চাপ, উপরি সীমান্তে আগুন মুখে চিনা ড্রাগন। এই দুই সংকটের উপজাত হিসাবে দেশে অর্থনৈতিক মন্দা জাঁকিয়ে বসেছে।
সার্বিক এই প্রেক্ষাপটেই কাল মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে বক্তৃতা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিকেল ৪ টের সময় তা সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
কী বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কাল দেশকে বার্তা দেবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মনে করা হচ্ছে মূলত, কোভিড মোকাবিলা এবং লকডাউনের শর্ত শিথিল করা নিয়েই বার্তা দিতে পারেন তিনি।
বস্তুত কোভিড মোকাবিলার জন্য পঞ্চম দফার লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে কাল। তার আগে আজ সোমবার রাতে সরকার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, ১ জুলাই থেকে লকডাউন চলবে শুধু কনটেইনমেন্ট জোনে। তার বাইরে প্রায় সব কিছুই খোলা থাকবে। এমনকি এক সঙ্গে পাঁচ জনের বেশি লোক চাইলে কোনও দোকানে ঢুকতে পারবে।
তবে কিছু বিষয়ে এখনও সম্মতি দেয়নি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তার মধ্যে অন্যতম হল—মেট্রো রেল চলবে না, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা স্কুল কলেজ খুলবে না, সিনেমা হল, মাল্টিপ্লেক্স, সুইমিং পুল, অডিটোরিয়ামও বন্ধ থাকবে। তা ছাড়া ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বড় জমায়েত করা যাবে না।
অনেকের মতে, অর্থনৈতিক কার্যকলাপে গতি আনার লক্ষ্যে কাল বার্তা দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে কর্মসংস্থান, ঘরোয়া উৎপাদন বৃদ্ধির কথা তিনি বলতে পারেন।
সরকারের একটি সূত্রের মতে, লাদাখের প্রসঙ্গও কালকের বক্তৃতায় তুলে আনতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার রেডিওয় তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে চিনের নাম মুখে না এনেও যোগ্য জবাব দেওয়ার কথা বলেছেন মোদী। সেই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, দেশের মধ্যে উৎপাদন বাড়াতে হবে। স্বদেশি দ্রব্যের ব্যবহার করতে হবে, লোকালের জন্য ভোকাল হতে হবে। হতে পারে লাদাখ তথা চিনের আস্ফালনের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাল এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত বলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।