Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

সকলকে অবাক করে এনসিপি-বিজেডির প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর, জল্পনা শুরু

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংসদে শিষ্টাচারের কথা বলতে গিয়ে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) ও বিজু জনতা দলের (বিজেডি) কথা উল্লেখ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মহারাষ্ট্রে যখন কিংমেকারের ভূমিকায় এনসিপি, তখন প্রধানমন্ত্রীর এই উক্তি নতুন করে জল

সকলকে অবাক করে এনসিপি-বিজেডির প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর, জল্পনা শুরু

শেষ আপডেট: 18 November 2019 13:05

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংসদে শিষ্টাচারের কথা বলতে গিয়ে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) ও বিজু জনতা দলের (বিজেডি) কথা উল্লেখ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মহারাষ্ট্রে যখন কিংমেকারের ভূমিকায় এনসিপি, তখন প্রধানমন্ত্রীর এই উক্তি নতুন করে জল্পনা তৈরি করল রাজনৈতিক মহলে। রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তত দু’টি দল কখনও ওয়েলে নামে না – এনসিপি এবং বিজেডি। তাঁদের এই নিয়মানুবর্তিতা নিজেদেরই তৈরি করা। এ থেকে প্রতিটি দলের, এমনকি তাঁর নিজের দল বিজেপিরও শিক্ষা নেওয়া উচিত বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের উচিত বাধা না দিয়ে খবরে আসার পথ বার করা।... আমি আজ দুটি দলের কথা উল্লেখ করতে চাই, একটি এনসিপি এবং দ্বিতীয়টি বিজেডি।... এই দুই দলের বিশেষত্ব দেখুন। তাঁরা নিজেরাই নিয়মানুবর্তিতা তৈরি করেছেন যে আমরা ওয়েলে নামব না। আমি দেখেছি যে ওঁদের একজন সদস্যও একবারের জন্যও এই নিয়ম ভাঙেননি। আমাদের সব রাজনৈতিক দলকে শিখতে হবে, আমার দল সমেত... সব রাজনৈতিক দলকে শিখতে হবে যে এই নিয়ম পালন করার পরেও না এনসিপির রাজনৈতিক জয়যাত্রায় কোনও বাধা এসেছে, না বিজেডির রাজনৈতিক জয়যাত্রায় কোনও বাধা এসেছে। এর অর্থ হল, ওয়েলে না নেমেও মানুষের হৃদয় জয় করা সম্ভব।” পরে তিনি এ কথা টুইটও করেন। https://twitter.com/PMOIndia/status/1196355742510399491 নিয়মানুবর্তিতার কথা বলতে গিয়ে তিনি বিআর আম্বেদকরের প্রসঙ্গও টানেন। তাঁকে ভারতের সংবিধানের জনক বলা হলেও লোকসভায় তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হত না। এই প্রসঙ্গ টেনে নাম না করে এবং কারণ উল্লেখ না করে তিনি কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়েছেন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। মহারাষ্ট্রে সরকার গড়া নিয়ে এখন টালবাহানা চলছে। সেখানে জারি হয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসন। এই অবস্থায় শরদ পওয়ারের এনসিপি এখন কিংমেকারের জায়গায়। সরকার গড়তে শিবসেনাকে তাঁর দল সমর্থন করবে বলে শোনা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে কংগ্রেস সরকারে থাকবে নাকি বাইরে থেকে সমর্থন করবে তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে ভোটের আগে জোট বেঁধে লড়া কংগ্রেস-এনসিপির। এই অবস্থায় শরদ পওয়ারের একটি মন্তব্য ঘিরে ফের জল্পনা শুরু হয়েছে। আরও পড়ুন: শিবসেনার সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা চলছে, তাই নাকি? অবাক করা জবাব শরদ পওয়ারের ২৮৮ আসনের মহারাষ্ট্রে বিজেপির আসনসংখ্যা ১০৫, তাদের ভোটপূর্ব শরিক শিবসেনার আসনসংখ্যা ৫৬, এনসিপির আসনসংখ্যা ৫৪ ও কংগ্রেসের ৪৪। অর্থাৎ, কোনও ভাবে যদি এনসিপির সমর্থন জোগাড় করতে পারে বিজেপি, তা হলে মহারাষ্ট্রে ফের তারা সরকার গড়তে পারবে। শরদ পওয়ারের মন্তব্য ও সংসদের উচ্চকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়ে যায়।

```