দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভারত আগেই বলেছিল, সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন না। সেইমতো দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়ওনি। কিন্তু শুক্রবার সৌজন্য বিনিময় করলেন দু'জনে। ভোটে বিপুল জয়ের জন্য মোদীকে অভিনন্দন জানালেন ইমরান।
সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠকের পরে লিডার্স লাউঞ্জে দু'জনের দেখা হয়। দু'সপ্তাহ আগেই ইমরান ও তাঁর বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি আলাদা চিঠি দিয়ে দিল্লির কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন, সাংহাই কো-অপারেশনের বৈঠকের ফাঁকে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বসুন।
২০১৬ সালের জানুয়ারিতে পাঠানকোটে বায়ুসেনার ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলার পর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে সবরকম আলোচনা বন্ধ রেখেছে ভারত। দিল্লি থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সন্ত্রাসে মদত আর আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। ২৩ মে ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের তিন দিন বাদে ইমরান নিজে মোদীকে ফোন করেন। তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মানুষের উন্নতির স্বার্থে মোদীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করতে চান। তার জবাবে মোদী বলেন, এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য আগে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। হিংসা ও সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করতে হবে।
মোদীর সঙ্গে ফোনে ইমরানের কথা হওয়ার পরেই নানা মহলে ধারণা ছড়িয়ে পড়ে, সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকের ফাঁকে দু'জন বসতে পারেন। গত বৃহস্পতিবার কিরগিজিস্তানের রাজধানীতে সাংহাই কো অপারেশনের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছেন মোদী। তার ফাঁকে তিনি কথা বলেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরফ গনির সঙ্গে। কিরগিজিস্তানের প্রেসিডেন্ট সুরুনবে জনবেকভের সঙ্গেও মোদীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে।