দ্য ওয়াল ব্যুরো : কোভিড অতিমহামারী রোধে অনুদান দেওয়ার জন্য সরকার তৈরি করেছিল পিএম কেয়ারস ফান্ড। সেই হেতু ওই তহবিল সরকারি সংস্থা। নতুন একটি আরটিআইয়ের জবাবে এমনই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু এর আগে সরকারি ওয়েবসাইটে বলা হয়েছিল, ওই ফান্ড বেসরকারি সংস্থা। কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি জানিয়েছে, ওই তহবিল তৈরি করেছে ভারত সরকার। তা ভারত সরকারের অধীন একটি সংস্থা। কিন্তু তা তথ্য জানার অধিকারের আওতায় পড়ে না।
আরটিআইয়ের জবাবে ২৪ ডিসেম্বর সরকার জানিয়েছে, ওই তহবিলে ব্যক্তি, সংগঠন, কর্পোরেট সংস্থা, বিদেশের নাগরিক, বিদেশি সংগঠন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও অন্যান্য সরকারি সংস্থা অনুদান দেয়। অছি পরিষদের সদস্য হিসাবে বেসরকারি ব্যক্তিরা ওই ফান্ডকে নিয়ন্ত্রণ করেন। সরকার সরাসরি ওই তহবিলে অর্থ দেয় না। তাই পিএম কেয়ারস ফান্ডকে সরকারি সংস্থা বলে গণ্য করা যায় না।
২৭ মার্চ ওই তহবিল তৈরি হয়। তার ট্রাস্ট ডিডে বলা হয়েছিল, ওই তহবিল সরকারের অধীন নয়। সরকার তা পরিচালনা করে না। পরে ওই ট্রাস্ট সম্পর্কে সরকারি নথিতে নানা স্ববিরোধিতা দেখা যায়। অনেকের ধারণা, সরকারি তহবিল হিসাবে এখানে কোটি কোটি টাকা অনুদান আসছে ঠিকই কিন্তু কোথা থেকে অনুদান আসছে তা জানাতে বাধ্য নয় পিএম কেয়ারস ফান্ড।
পি এম কেয়ারস ফান্ড দিল্লির রাজস্ব দফতরে নথিভুক্ত হয়েছে। তার ট্রাস্টিদের মধ্যে আছেন প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। কিন্তু সম্প্রতি ওই ট্রাস্টের ওয়েব সাইটে জানানো হয়েছে, তা সরকারি ট্রাস্ট নয়। ট্রাস্ট ডিডে বলা হয়েছে, "এই সংস্থা সরকারের অধীনে থাকতে চায় না। সরকারের থেকে বেশি অর্থও নিতে চায় না। এই ট্রাস্টের কাজকর্মে কেন্দ্রীয় সরকার বা কোনও রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই।"
পিএম কেয়ারস ফান্ড নথিভুক্ত হওয়ার পরে কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রক থেকে অফিস মেমোরেন্ডাম দিয়ে বলা হয়, পিএম কেয়ারস ফান্ড কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সবিলিটি ফান্ড। তা কর্পোরেট সংস্থার থেকে অনুদান নিতে পারবে। ওই ফান্ড একটি সরকারি সংস্থা। তার দু'মাস পরে কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রক জানায়, ২৮ মার্চ থেকে ওই তহবিলকে কোম্পানিজ অ্যাক্টের আওতায় আনা হয়েছে।