
শেষ আপডেট: 18 December 2019 18:30
ডিআরডিওর সঙ্গে এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে পুণের আর্মামেন্ট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এস্ট্যাব্লিশমেন্ট (ARDE), রিসার্চ সেন্টার ইমারত (RCI), ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবোরেটরি (DRDL), প্রুফ অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল এস্ট্যাব্লিশমেন্ট (PXE) এবং হাই এনার্জি মেটিরিয়াল রিসার্চ ল্যাবোরেটরি (HEMRL)।
এর আগেও পিনাকা মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করেছিল ভারতীয় সেনা। ডিআরডিও জানিয়েছে, বর্তমানে পিনাকার উন্নত সংস্করণের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হল। এই উৎক্ষেপণের নেতৃত্বে ছিলেন আরসিআইয়ের ডিরেক্টর বিএইচভিএস নারায়ণমূর্তি, এআরডিএ-র ডিরেক্টর ড. ভি ভেঙ্কটশেখর রাও, আইটিআরের ডিরেক্টর ড. বিকে দাস এবং পিএক্সই-এর ডিরেক্টর ডিকে যোশী।
এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগামী ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস রয়েছে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই মিসাইল। বাতাসে শব্দের যা গতিবেগ তার চার গুণ বেগে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ছুটে যেতে সক্ষম ব্রহ্মস। ফলে র্যাডারে ধরা পড়লেও মাঝ পথে তাকে রোখা খুব কঠিন। আরও এক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নাগ মিসাইল ক্যারিয়ার। বিশাল মরুপ্রান্ত দিয়ে যদি হানা দেয় শত্রুপক্ষের ট্যাঙ্ক, তা হলে নিমেষে রুখে দেবে নাগ। অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল (এটিজিএম) নাগকে ভূমি এবং আকাশ, দুই জায়গা থেকেই ছোড়া যায়। প্রতিপক্ষের ট্যাঙ্কই মূলত এই ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্য।