Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

পারভেজ মুশারফের মৃত্যুদণ্ড, নির্দেশ দিল পাক আদালত

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপ্রধান পারভেজ মুশারফকে মৃত্যুদণ্ড দিল পাকিস্তানের বিশেষ আদালত। পাকিস্তানের মিডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে দেশদ্রোহিতার মামলায় পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাপ্রধান মুশারফকে এই সাজা দিয়েছে লাহোরের এক বিশেষ আ

পারভেজ মুশারফের মৃত্যুদণ্ড, নির্দেশ দিল পাক আদালত

শেষ আপডেট: 17 December 2019 07:16

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপ্রধান পারভেজ মুশারফকে মৃত্যুদণ্ড দিল পাকিস্তানের বিশেষ আদালত। পাকিস্তানের মিডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে দেশদ্রোহিতার মামলায় পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাপ্রধান মুশারফকে এই সাজা দিয়েছে লাহোরের এক বিশেষ আদালত। তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ এই সাজা শুনিয়েছে। https://twitter.com/ANI/status/1206833288607715328 ২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন পারভেজ মুশারফ। এরপরেই মুশারফের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা করেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। ২০১৩ সাল থেকে এই মামলা আদালতে ঝুলছিল। ২০১৪ সালে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত হন মুশারফ। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ৭৬ বছর বয়সী পারভেজ মুশারফের বিবৃতি রেকর্ড করার নির্দেশ দিয়েছিল লাহোরের ওই বিশেষ আদালত। যদিও বর্তমানে পাকিস্তানের বাসিন্দা নন মুশারফ। ২০১৬ সাল থেকেই চিকিৎসার জন্য তিনি দুবাইয়ে রয়েছেন। সেখানকার নাগরিকত্বও নিয়েছেন তিনি। ২০১৬ সালে মার্চ মাসে দুবাই যান তিনি। তারপর আর দেশে ফেরেননি। দুবাইতে থাকাকালীনই বিশেষ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন তাঁর অনুপস্থিতিতে যেন বিচার না হয়। মুশারফ বলেন শারীরিক ভাবে সুস্থ হয়ে আদালতের সামনে না আসা পর্যন্ত যেন বিশেষ আদালতের  রায় যেন স্থগিত করা হয়। এর আগে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে পলাতক বলে ঘোষণা করেছে আদালত। কারণ কোর্ট বার বার ডেকে পাঠানো সত্ত্বেও তিনি উপস্থিত হননি। ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিকে বলা হয়েছে, মুশারফকে গ্রেফতার করতে হবে। নওয়াজ শরিফের মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ বলেন, তাঁর বাবা আগেই দেশদ্রোহিতার অভিযোগে মুশারফকে অভিযুক্ত করতে চেয়েছিলেন। তখনই নওয়াজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের শাসক ছিলেন মুশারফ। খুব কম শাসকই পাকিস্তানে এতদিন ক্ষমতায় থাকতে পেরেছেন। ২০০৮ সালে তিনি যান স্বেচ্ছানির্বাসনে। ২০১৩ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানে ফেরেন। তিনি চেয়েছিলেন ফের ভোটে দাঁড়াবেন। কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগে আদালত তাঁর ভোটে দাঁড়ানো বন্ধ করে দেয়।

```