দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত অগস্ট মাসের শেষে দেশের সবচেয়ে বড় বিস্কুট নির্মাতা কোম্পানি পার্লে প্রোডাক্টস গ্রুপ জানিয়ে দিয়েছিল, বাজারে বিস্কুটের চাহিদা কমে গিয়েছে। একইসঙ্গে সংস্থার মুখপাত্র ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এই পরিস্থিতি বজায় থাকলে আট থেকে ১০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করা হতে পারে। তার দু'মাসের মধ্যেই জানা গেল, ২০১৮-১৯ সালের আর্থিক বছরে ১৫.২ শতাংশ মুনাফা করেছে ওই সংস্থা।
একটি সূত্রের খবর, গত আর্থিক বছরে সংস্থার মুনাফা হয়েছে ৪১০ কোটি টাকা। তার আগের আর্থিক বছরে মুনাফা হয়েছিল ৩৫৫ কোটি টাকা। একবছরে মুনাফার পরিমাণ বেড়েছে ৬.৪ শতাংশ। অগস্ট মাসে পার্লে ও অন্যান্য কয়েকটি বিস্কুটের কোম্পানি সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছিল, গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স কমানো হোক। তখনই পার্লে জানিয়েছিল, কর না কমলে তারা প্রায় ১০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করতে বাধ্য হবে। পার্লে কোম্পানির কর্তা মায়াঙ্ক শাহ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ২০১৭ সালে জিএসটি চালু হওয়ার পরেই পার্লে জি বিস্কুটের চাহিদা ক্রমশ কমছে। কারণ জিএসটিতে বিস্কুটের ওপরে লেভি বসানো হয় বিপুল হারে। তখন পার্লের প্রতিটি প্যাকেটে আগের চেয়ে কম সংখ্যক বিস্কুট দেওয়া হতে থাকে। তাতে গ্রামাঞ্চলে ক্রেতাদের কাছে ওই বিস্কুটের জনপ্রিয়তা কমে যায়।
মায়াঙ্ক শাহ বলেছিলেন, আমাদের দেশে ক্রেতারা পণ্যের মূল্য হ্রাসবৃদ্ধির ব্যাপারে খুব সচেতন। প্রতিটি প্যাকেটে কতগুলি করে বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে তাঁরা খেয়াল রাখেন।
পার্লে বিস্কুট লাভ করেছে শুনে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, কিছুদিন আগেই 'বুদ্ধিমান অর্থনীতিবিদরা' বলেছিলেন, দেশের মানুষ পার্লে জি কোম্পানির ছোট বিস্কুটের প্যাক পর্যন্ত কিনতে পারছে না। কিন্তু এখন দেখা গেল ওই সংস্থার নেট প্রফিট ৬.৪ শতাংশ বেড়েছে।