
শেষ আপডেট: 10 June 2022 11:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সকাল থেকেই নবী মহম্মদ অবমাননার জেরে বিক্ষুব্ধদের বিক্ষোভে স্তব্ধ ছিল পার্ক সার্কাস (Park Circus) সেভেন পয়েন্ট। সেই বিক্ষোভের অনতিদূরেই শুক্রবার দুপুরে ঘটে যায় এক মর্মান্তিক ঘটনা। পার্ক সার্কাসের বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের থেকে ৫০ মিটার দূরে ঘটা গুলি কাণ্ডে নিহত হন দুই জন, আহত এক।
জানা গেছে, উপ হাইকমিশনের বাইরে পাহারায় থাকা এক পুলিশকর্মী হঠাৎই নিজের সার্ভিস রাইফেল থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকেন। ১০-১২ রাউন্ড গুলি চালান তিনি। সেইসময় সেই পথ দিয়েই এক অ্যাপ বাইকে করে যাচ্ছিলেন এক মহিলা। তাঁর গায়েই লাগে গুলি। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, গুলি লাগার সঙ্গে সঙ্গে বাইক থেকে পড়ে যান মহিলাটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। আহত হন বাইক চালকও। ঘটনা ঘটার পরেই ওই পুলিশকর্মী নিজেই নিজের রাইফেলের গুলিতে আত্মঘাতী হন।
তারপর থেকেই একরাশ প্রশ্ন দানা বাঁধতে থাকে। কে তিনি? কেন এমন কাণ্ড ঘটনা ঘটালেন তিনি? কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠি জানান, নিহত পুলিশ কর্মীর নাম চোদুপ লেপচা। গত বছর পুলিশে যোগ দেন তিনি। এর পরে কাজ করতে শুরু করেন আর পাঁচ জনের মতোই। গত পরশুই ছুটি থেকে ফিরে বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনের বাইরে নিরাপত্তার দায়িত্বে যোগ দেন তিনি। দুদিন পরেই এমন ঘটনা ঘটালেন।
ত্রিপাঠি আরও জানান, ওই পুলিশ কর্মীর মানসিক সমস্যা ছিল। তিনি আর্মস পুলিশের কনস্টেবল ছিলেন। তবে পুরো ঘটনা তদন্ত করে দেখতে হবে বলেও জানান তিনি। তবে এই ঘটনার সঙ্গে এদিন সকালের পার্ক সার্কাসের বিক্ষোভের কোন সম্পর্ক নেই বলেও স্পষ্ট করেন ত্রিপাঠি।
এক দিকে বিক্ষোভ, অন্যদিকে এই গুলিকাণ্ড, এই দুই ঘটনার জেরে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যায় গোটা পার্কসার্কাস চত্বর। যানজটের আশঙ্কা গোটা শহর জুড়ে।
বাবা মাছওয়ালা, নিজে লোকের বাড়ি বাসন মেজে উচ্চমাধ্যমিকে সপ্তম শিলিগুড়ির রীতা