
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 4 March 2025 13:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্যাংরা, মধ্যমগ্রাম, বেহালার পর এবার কসবা।
বাড়ি থেকে উদ্ধার হল স্বামী, স্ত্রী এবং তাদের তিন বছরের সন্তানের ঝুলন্ত দেহ। মঙ্গলবার সকালে এঘটনায় শোরগোল তৈরি হয়েছে কসবা থানা এলাকার রথতলার পূর্বপল্লীতে।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করেছে। যা থেকে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। তবে ঠিক কী কারণে আত্মহত্যা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রের খবর, ঘরের মধ্যে থেকে তিনজনেরই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাবার শরীরের সঙ্গে শিশুর দেহটি বাধা ছিল। যা থেকে মনে করা হচ্ছে, শিশুটিকে খুন করার পরই স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে আত্মঘাতী হয়েছে।
মৃতরা হলেন, সোমনাথ রায় (৪০), তাঁর স্ত্রী সুমিত্রা (৩৫) এবং আড়াই বছরের পুত্র রুদ্রনীল। সোমনাথ পেশায় অটোচালক। সুইসাইড নোট থেকে পুলিশের ধারণা, সম্পত্তিগত বিবাদ থেকে মানসিক চাপ তৈরি করা হয়েছিল ওই দম্পতির ওপরে। এ বিষয়ে ওই সুইসাইড নোটে দু'জনের নামও উল্লেখ করেছে ওই দম্পতি। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হতে সুইসাইড নোটে নাম লেখা দু'জনের খোঁজ শুরু করছে পুলিশ। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
বস্তুত, শহরের একের পর এক আত্মহত্যার ঘটনা ঘিরে জনমানসে তীব্র শোরগোলও তৈরি হয়েছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্যাংরা থেকে উদ্ধার হয় দুই বধূ ও কিশোরী মেয়ের দেহ। ওই ঘটনায় পরিবারেরই সদস্য ছোট ভাই প্রসূন দে কে সোমবার রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার কয়েকদিন পরেই মধ্যমগ্রাম থেকে উদ্ধার হয় মা, মেয়ের দেহ। ওই ঘটনার অব্যহতি পরে বেহালা থেকে বাবা ও মেয়ের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। এবার কসবা।