দ্য ওয়াল ব্যুরো: সামাজিক লজ্জার ভয়ে বাবা-মা মিলে খুন করল মেয়েকে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ে। ওই তরুণী বিয়ের আগে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় সামাজিক সম্মান বাঁচাতেই তাঁর বাবা-মা মিলে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৫ অক্টোবর প্রতাপগড়ে রেল লাইনে উদ্ধার হয় এক তরুণীর দেহ। তার আগের দিন অর্থাত্ ২৪ তারিখ রাতে ওই তরুণীর বাবা কমলেশ সাউ থানায় মেয়ের নামে নিরুদ্দেশ ডায়েরি করেন।
দেহ উদ্ধারের পর পুলিশ কমলেশদের পরিবারে খবর দেয়। তারপর দেহ শনাক্ত করেন তাঁরা। এরপর ময়নাতদন্তে স্পষ্ট হয় ওই তরুণীকে শ্বাস রোধ করে খুন করা হয়েছে। এবং এও জানা যায়, ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কমলেশ ও তাঁর স্ত্রী অনিতাকে। জেরার মুখে তারা মেয়েকে খুনের কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশকে কমলেশ ও অনিতা জানিয়েছে, ২২ অক্টোবর তারা জানতে পারে মেয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়েছে। বারবার জিজ্ঞেস করাতেও কার সঙ্গে সম্পর্ক সে বলেনি। পরের দিন গর্ভপাত করানোর জন্য মেয়েকে একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যায় কমলেশ ও অনিতা। কিন্তু ছমাস হয়ে যাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। এরপরই সামাজিক সম্মান বাঁচাতে মেয়েকে খুনের সিদ্ধান্ত নেয় তারা।
দুজনকেই রবিবার রাতে গ্রেফতারকৃতরা করেছে প্রতাপগড় পুলিশ।