.jpeg)
পরীক্ষার হলে অভিভাবকরাও
শেষ আপডেট: 25 April 2025 15:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো, মুর্শিদাবাদ :পরীক্ষা চলছে। তবে পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীরা একা নয়, রয়েছেন অভিভাবকরাও। ছোটরা না পারলেই বলে দিচ্ছেন তাঁরা। এমনটাই নাকি বরাবর হয় ডোমকলের কুচিয়ামোড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (Murshidabad School)। বৃহস্পতিবার ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত ক্লাসের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পড়ুয়া আর অভিভাবকদের ঠ্যালাঠেলিতে পরীক্ষার হলের নীরবতা মাথায় উঠেছে।
প্রধানশিক্ষক ছুটিতে। এমন ঘটনাতেও বিশেষ হেলদোল নেই কুচিয়ামোড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। স্কুলের শিক্ষক মাসাদুল হোসেন জানালেন, তাঁরা অনেকবার বারণ করেছেন তাঁরা। কিন্তু ছোট বাচ্চা কাঁদে বলে অভিভাবকরা পরীক্ষা দিতে চলে আসেন। বারবার বলেও স্কুল থেকে বার করা যায় না তাঁদের।
গ্রামবাসীরাও শিক্ষকের সঙ্গে একমত। তাঁদের অনেকেই জানালেন, শিক্ষকদের (West Bengal Teacher)কোনও দোষ নেই। তাঁরা বারবার আপত্তি জানায়। কিন্তু কেউ কথা শোনে না। অভিভাবক আলামিন মণ্ডল বলেন, "আমাদের বাচ্চাদের আমরা বাইরে টিউশন পড়াই। কিন্তু স্কুলে ভাল নম্বর পায় না। কারণ অনেক ছেলের বাড়ির লোক এসে পরীক্ষা দিয়ে দেয়। এমন চললে বাচ্চারা তো পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।" আরেক অভিবাবক মহম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন," অভিভাবকদের ভুলে বাচ্চাগুলি ঠিক মতো পড়াশোনাও শিখছে না। নিজের নাম-ঠিকানাও লিখতে পারে না ওরা।"
এখানেই শেষ নয়, পরীক্ষার হলে দেখা মেলেনি শিক্ষকের। বহিরাগত এক যুবককে দেখা গেল পরীক্ষা নিতে। তিনি যে বহিরাগত তা নিজেও স্বীকার করেছেন ওই যুবক। স্কুলের শিক্ষক মাসাদুল হোসেন জানালেন, শিক্ষকের ঘাটতির কারণে শিক্ষিত ওই যুবককে আনা হয়েছে। তিনিও গ্র্যাজুয়েট। টেট পাশ।
এই ছবি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলেও এভাবে এগোলে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যত কোন পথে যাবে, সেটাই এখন ভাবাচ্ছে শিক্ষামহলকে।