Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

৩০ বছর ধরে ঘিলুতে একটু একটু করে বেড়ে উঠল পরজীবী, লম্বায় ১০ সেন্টিমিটার!

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিরিশ বছর ধরে ভুল চিকিৎসা হল এক ব্যাক্তির।  তিনি মারাও যেতে পারতেন, কিন্তু ভাগ্যের জোরে বেঁচে গেলেন।  ১৯৮৯ সাল থেকে মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব নিয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন এতগুলো বছর।  ৫৯ বছরের ঝং প্রথম তাঁর সমস্যাগুলো নিয়ে যখন চিনের গ

৩০ বছর ধরে ঘিলুতে একটু একটু করে বেড়ে উঠল পরজীবী, লম্বায় ১০ সেন্টিমিটার!

শেষ আপডেট: 30 August 2019 07:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিরিশ বছর ধরে ভুল চিকিৎসা হল এক ব্যাক্তির।  তিনি মারাও যেতে পারতেন, কিন্তু ভাগ্যের জোরে বেঁচে গেলেন।  ১৯৮৯ সাল থেকে মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব নিয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন এতগুলো বছর।  ৫৯ বছরের ঝং প্রথম তাঁর সমস্যাগুলো নিয়ে যখন চিনের গুয়াংডং প্রদেশের একটি হাসপাতালে যান, তখন সেখানে তাঁকে চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন এটা এপিলেপ্সি বা মৃগী, তাই ওষুধ খেয়ে যেতে হবে।  ডাক্তারদের কথা মতোই তিনি খেয়েও যাচ্ছিলেন সেই ওষুধ। যখন প্রথম তাঁর সমস্যা হয়, তখনও খুব একটা গুরুত্ব দেননি তিনি।  এরপর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে দিতেই এক দিন হঠাৎ তিনি অজ্ঞান হয়ে যান।  তাঁর অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার সময়ে মুখ দিয়ে ফেনাও বেরিয়েছিল সেদিন।  তাঁর কখনও আবার মনে হয় হাত পা-এর ভিতর দিয়ে কিছু যেন কাঁপছে, চলছে।  তাও তিনি শুধু মাথা ব্যথার ওষুধ খেয়েই কাটিয়ে দেন। বেশ কিছু দিন ওষুধ বন্ধও রাখেন।  ২০১৫ তে তাঁর বাড়ির কাছে আগুন লাগে, সে সময় থেকেই উপসর্গগুলো আরও বাড়তে থাকে।  আবার তিনি ছোটেন হাসপাতালে।  সেবারেও ডাক্তাররা তাঁকে এপিলেপ্সি বলে ওষুধ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।  কিন্তু এবার আর তিনি বিষয়টা এড়িয়ে যাননি।  অন্য ডাক্তারদের সাথে গিয়ে কথা বলেছেন।  তাঁর এমআরআই স্ক্যান করা হয়।  দেখা যায় তাঁর ঘিলুতে ১০ সেন্টিমিটারের একটি প্যারাসাইট রয়েছে! ডাক্তাররা অপারেশন করে বের করে আনেন সেটিকে।  তাঁরা অবাক হয়ে যান, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে তাঁর মাথায় এভাবে ওই পরজীবীটি বেঁচে ছিল দিব্যি।  একটু একটু করে সে বেড়েও উঠেছে! ঝাং মারাও যেতে পারতেন, কিন্তু কপাল জোরে বেঁচে গেছেন।  ডাক্তাররাও অবাক।

```