দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঠিক এক সপ্তাহ আগে এমনই রোববারের রাত থেকে দিল্লিতে শুরু হয়েছিল তুমুল অশান্তি। পাথর, আগুন, গুলি, ছুরি, অ্যাসিড-- কিছুই বাদ থাকেনি এক সপ্তাহ ধরে। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ঘনিয়ে ওঠা অগ্নিগর্ভ অবস্থার মাসুল দিতে গিয়ে প্রাণ চলে গেছে ৪৬ জন সাধারণ মানুষের। আহত কয়েকশো।
এই অবস্থায় পরিস্থিতি যখন একটু থিতু হওয়ার দিকে এগিয়েছে, তখনই শোনা যায়, দক্ষিণ-পূর্ব ও পশ্চিম দিল্লিতে ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। আজ, রবিবার সন্ধেয় সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ছড়িয়ে পড়তে শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই দিল্লি পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হল, কোথাও কোনও অশান্তি নেই। গুজবে কান না দেওয়ার জন্যও অনুরোধ জানাল তারা।
রবিবার সন্ধে থেকেই কানাঘুষো শোনা যায়, নতুন করে অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে দিল্লির একাধিক জায়গায়। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ঘুরতে শুরু করে নানা খবর। অশান্তির নতুন খবরে তিলক নগর, নাঙ্গোলি, সুরজমল স্টেডিয়াম. বদরপুর, তুঘলকাবাদ, উত্তমনগর পশ্চিম এবং নওয়াদা মেট্রো স্টেশন কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন। পরে স্টেশনগুলি খুলে দেওয়া হয়।
দিল্লি পুলিশের তরফে এর পরে টুইট করে বলা হয়, “দক্ষিণ-পূর্ব ও পশ্চিম দিল্লিতে উত্তেজনার কিছু প্রমাণহীন খবর ঘুরছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমাদের তরফে জানানো হচ্ছে যে, এগুলি সবই গুজব। এই ধরনের গুজবে কান দেবেন না। গুজব ছড়ানোর দিকে নজর রয়েছে পুলিশের, এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুজব আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু। খায়লা-রঘুবীর নগর জেলায় অশান্তির গুজবের যে খবর পাওয়া গিয়েছে, তার পিছনে কোনও সত্যতা নেই। পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত এবং স্বাভাবিক। সবাইকে শান্তিরক্ষার আবেদন করা হচ্ছে।”
দক্ষিণ পূর্ব রেলের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার আরপি মিনা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক। পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে। আমরা অনেক ফোন পেয়েছি। সব ফোনই ভুয়ো বলে দেখা গিয়েছে। আমরা ফোনকলগুলি ইনস্পেক্টর এসএইচও কে পাঠিয়েছি। মানুষের সঙ্গেও আমরা কথা বলছি।”