
শেষ আপডেট: 15 May 2022 16:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আত্মহত্যা করতেই পারে না মেয়ে (Pallavi Dey), খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে তাকে। টেলি-অভিনেত্রী পল্লবী দে-র রহস্যমৃত্যুর পরে এমনই অভিযোগ তুলল তার বাড়ির লোকজন। শুধু তাই নয়, পরিবারের এই অভিযোগের অভিমুখও সুনির্দিষ্ট। তাঁদের দাবি, পল্লবীর লিভ ইন পার্টনার সাগ্নিক চক্রবর্তীই এই অপমৃত্যুর পেছনে দায়ী।
রবিবার সকালে গড়ফার ফ্ল্যাটে পল্লবীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের পরে কাঁটাপুকুর মর্গে তা পাঠানো হয় ময়নাতদন্তের জন্য। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, আত্মহত্যাই করেছেন পল্লবী (Pallavi Dey)। তবে সে আত্মহত্যার পেছনে কারও প্ররোচনা আছে কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাঁর সঙ্গী সাগ্নিককে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। সাগ্নিকের মোবাইল ফোনও বাজেয়পাত করা হয়েছে।
শুধু তাই নয়। পল্লবীর পরিবারের অভিযোগ, সাগ্নিক তাঁদের মেয়েকে ঠকিয়েছে। সে বিবাহিত। তার পরেও পল্লবীর সঙ্গে লিভ ইন করছিলেন, কিছু না জানিয়েই। কিন্তু মাস ছয়েক আগে পল্লবী এ বিষয়টি জেনে ফেললে সাগ্নিক বলেন, তিনি ডিভোর্সের আবেদন করেছেন।
পল্লবীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমি ৯০ শতাংশ নিশ্চিত, মেয়েকে খুন করা হয়েছে।' তাঁর যুক্তি, ‘ও কেন সুইসাইড করবে? নিজে রোজগার করছে। ভাল ভাল কাজ করছে। পর পর সিরিয়াল আসছে। ওর তো আত্মহত্যা করার কোনও কারণ নেই।’
এখানেই শেষ নয়, সাগ্নিকের বিরুদ্ধে পল্লবীর (Pallavi Dey) পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের মেয়ের গায়ে হাতও তুলতেন সাগ্নিক। যদিও সাগ্নিকের মা এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, সাগ্নিক-পল্লবীর সম্পর্কের মধ্যে কোনও আবডাল ছিল না। সবাই সব জানত। বরং তিনিই এই লিভ ইন করার বিষয়টি পছন্দ করতেন না।
ঘটনাচক্রে, আজ সকালে পল্লবীর চাদরে জড়ানো ঝুলন্ত দেহ সাগ্নিকই প্রথম দেখেন। তিনিই খবর দেন সকলকে। পল্লবীর বাবার দাবি, সাগ্নিক প্রথমে ফোন করে তাঁদের সত্যটা জানাননি, বলেন, পল্লবী অজ্ঞান হয়ে গেছে। পরে তাঁরা সব জানতে পারেন। আবার পুলিশের জেরার মুখে সাগ্নিক স্বীকার করেছেন, মৃত্যুর আগের রাতে তাঁর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছিল পল্লবীর (Pallavi Dey)। সব মিলিয়ে নানারকম সন্দেহ দানা বেঁধেছে সাগ্নিকের উপর।
শ্রীলেখার অনবদ্য কামব্যাকে গর্বিত অনন্যা, ইন্ডাস্ট্রিতে যোগ্য দাম পাননি 'সুবর্ণলতা'ও