Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

Mayawati BSP: ভোটে বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে ভাই-ভাতিজায় ভরসা মায়াবতীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের মতো দেশের সবচেয়ে বড় রাজ্যটিতে নয় নয় করে তিনি তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। লোকসভা ও রাজ্যসভাতেও একটা সময় তাঁর দলের অস্তিত্ব বেশ টের পাওয়া যেত, তাই-ই নয়, জাতীয় রাজনীতির আঙিনাতেও যথেষ্ট সক্রিয় দেখা গিয়েছে। সেই

Mayawati BSP: ভোটে বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে ভাই-ভাতিজায় ভরসা মায়াবতীর

শেষ আপডেট: 17 March 2022 14:56

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের মতো দেশের সবচেয়ে বড় রাজ্যটিতে নয় নয় করে তিনি তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। লোকসভা ও রাজ্যসভাতেও একটা সময় তাঁর দলের অস্তিত্ব বেশ টের পাওয়া যেত, তাই-ই নয়, জাতীয় রাজনীতির আঙিনাতেও যথেষ্ট সক্রিয় দেখা গিয়েছে। সেই দলিত নেত্রী মায়াবতীর দল বিএসপির (Mayawati BSP) উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে ভরাডুবি যখন জাতীয় রাজনীতি চর্চার বিষয় তখন পার্টির পুনরুজ্জীবনে মায়াবতী চলতি রাজনীতির চেনা পথেই হাঁটলেন। আর পাঁচটা আঞ্চলিক দলের মতো তিনিই পার্টিতে পরিবারের নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে নিলেন এই সুযোগে। দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসালেন ভাই ও ভাতিজা অর্থাৎ ভাইপোকে। নেত্রীর ব্যাখ্যা, ২০২৪-এর লড়াইয়ের জন্য দলকে প্রস্তুত করতেই এই সিদ্ধান্ত।

উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে বিএসপির মূল প্রতিপক্ষ হল সমাজবাদী পার্টি। ওই দলে গুরুত্বপূর্ণ সব পদই বলতে গেলে মুলায়ম সিং যাদবের পরিবারের হাতে। দলের সর্ব ভারতীয় সভাপতি স্বয়ং মুলায়ম পুত্র তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব। সদ্য অনুষ্ঠিত বিধানসভা ভোটের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহরা মুলায়মের পরিবারকে লাগাতার আক্রমণ করে পরিবারবাদী বলে।

মায়াবতীর পাশে তাঁর ছোট ভাই আনন্দকুমার

শুধু এসপি, বিএসপি-ই নয়, কংগ্রেস তো আছেই দেশের প্রথমসারির সব আঞ্চলিক দলই পরিবারতন্ত্রের দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। বাংলায় বিগত নির্বাচনগুলিতে বিজেপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যাায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথমে সাংসদ, পরে দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে বসা নিয়ে ‘তৃণমূলে পিসি-ভাইপো রাজ’ আওয়াজ তুলেছে।

অবিবাহিত মায়াবতীও চেনা পথে হাঁটলেন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবারের লোককে বসিয়ে। বিগত কয়েক বছর যাবৎ পিসির একপ্রকার ছায়াসঙ্গী দলিত নেত্রীর ছোট ভাই আনন্দকুমারের বড় ছেলে আকাশ আনন্দ। আকাশ লন্ডনে ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশুনো করেছেন। এমবিএ ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরে বাবার রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা দেখার পাশাপাশি আকাশ এতদিন দলের যুব সংগঠনের আংশিক দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। তবে পিসির সঙ্গেই ওঠাবসা বেশি ছিল। উত্তরপ্রদেশের ভোটে বিপর্যয়ের পর পিসির হাত ধরে দলে তাঁর পদোন্নতি হল। তাঁকে এক লাফে করে দেওয়া হল দলে ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর। বর্তমান জাতীয় কো-অর্ডিনেটর রাজ্যসভার সাংসদ রামজি গৌতমকে দেওয়া হল আটটি রাজ্যের জাতীয় পর্যবেক্ষক।

মায়াবতীর ভাই আনন্দ কুমার আগে থেকেই দলের জাতীয় সহ-সভাপতি। এবার শুধু তাঁকেই ওই পদে রেখে দিয়ে মায়াবতী দলকে বার্তা দিলেন তাঁর উত্তরসূরি কে।

বেশ কয়েক বছর ধরেই দলিতের পার্টি বিএসপির সাধারণ সম্পাদকের পদে আছেন ব্রাহ্মণ সতীশচন্দ্র মিশ্র। সামাজিক মেলবন্ধনের এই রাজনীতির সুবাদেই ২০০৭-এ মায়াবতী শেষবার পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় এসেছিলেন।

নয়ডার অফিসে ময়াবতীর ভাইপো আকাশ আনন্দ

কিন্তু পরের নির্বাচনগুলিতে আর এই ফরমুলা কাজ করেনি। উল্টে ভোটের আগে ক্ষোভ প্রকাশ করেও ব্রাহ্মণ সমাজের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। মায়াবতীর দলে তাই প্রশ্ন উঠেছে, দলিতের পার্টি কেন ব্রাহ্মণদের মাথায় তুলছে। ফলে সতীশ মিশ্র বিএসপির দু-নম্বর আর কতদিন সেই চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে মায়াবতী দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে বাহ্মণ মুখ সরাতে শুরু করায়।

বিএসপির লোকসভার দলনেতা ছিলেন ব্রাহ্মণ রীতেশ পাণ্ডে। উত্তরপ্রদেশের ভোটের ফল প্রকাশের পর আম্বেদনগরের এই এমপিকে সরিয়ে মায়াবতী দলিত সাংসদ গিরীশচন্দ্র যাটভকে ওই দায়িত্ব দিয়েছেন। পাণ্ডের বাবা সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টির টিকিটে জিতেছেন। গিরীশচন্দ্র এতদিন ছিলেন লোকসভায় বহুজন সমাজ পার্টির চিফ হুইপ। ওই পদে বসানো হয়েছে আজমগড়ের সাংসদ দলিত নেত্রী সঙ্গীতা আজাদকে।

উত্তরপ্রদেশে দলিত, মুসলিম, ওবিসি, ব্রাহ্মণ—কারও ভোটই পায়নি বিএসপি। আসন পেয়েছে মাত্র একটি। যদিও ১২ শতাংশের মতো ভোট পেয়েছে তারা। কিন্তু কমেছে অনেক। আগের ভোটেও দল ২১ শতাংশের বেশি ভোটারের সমর্থন আদায় করতে পেরেছিল।

অনেকেই মনে করেন, মায়াবতী এবার ভোটে তেমন সক্রিয় ছিলেন না। মাত্র গোটা কুড়ি সভা করেছেন। তাঁর এই নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন আছে। সমাজবাদী পার্টির অভিযোগ দলিত নেত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাকে হাতিয়ার করেছিল বিজেপি। সিবিআই হানার ভয় দেখিয়ে তাঁকে নিষ্ক্রিয় করে রাখে গেরুয়া শিবির।

শুধু মায়াবতী নয়, ভাই আনন্দ কুমারের বিরুদ্ধে রয়েছে আয়করের মামলা। নয়ডার একটি বেসরকারি কোম্পানির কেরাণি আনন্দ রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা খুলে রাতারাতি কোটিপতি বনে যান। সঙ্গতিহীন আয়ের মামলায় আয়কর দফতর নয়ডায় তাঁর নামে কেনা সাত একর জমি বাজেয়াপ্ত করেছে। যার বাজার মূল্য ৪০০ কোটি টাকা। মায়াবতী মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে প্রভাব খাটিয়ে ওই সম্পত্তির মালিক হয়েছেন আনন্দ, এমনই অভিযোগ।

ফের আজ বৈঠকে কংগ্রেসের জি-২৩, হারের জন্য দায়ী নয় গান্ধীরা, বললেন চিদাম্বরম


```