করোনা ভয়: মিশরের জাহাজে আটকে ১৮ জন ভারতীয়, সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে চেন্নাইয়ের ইঞ্জিনিয়ার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জাপান ফেরত ডায়মন্ড প্রিন্সেসের পরে এবার মিশরের প্রমোদতরী। করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়েছে জাহাজে। ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে শঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চেন্নাইয়ের এক যুবককে। জাহাজে আটকে ১৮ জন ভারতীয়। সরকারের কাছে দে
শেষ আপডেট: 8 March 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জাপান ফেরত ডায়মন্ড প্রিন্সেসের পরে এবার মিশরের প্রমোদতরী। করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়েছে জাহাজে। ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে শঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চেন্নাইয়ের এক যুবককে। জাহাজে আটকে ১৮ জন ভারতীয়। সরকারের কাছে দেশে ফেরার তীব্র আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা।
১৫০ জন যাত্রী ও ক্রু মেম্বার নিয়ে নীল নদের উপরেই কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হয়েছে জাহাজটিকে। মিশরের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, জাহাজের ৩৩ জন পর্যটক ও ১২ জন ক্রু মেম্বার সিওভিডি ১৯ পজিটিভ। বাকি যাত্রীদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জাহাজে আটকে পড়েছেন ১৮ জন ভারতীয় যাত্রী। তাঁরা প্রত্যেকেই তামিলনাড়ুর বাসিন্দা। ২৭ ফেব্রুয়ারি জাহাজে চেপেছিলেন তাঁরা। মিশর ঘুরে গত ৭ মার্চ দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই জাহাজের কয়েকজন যাত্রীর নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। নীল নদের উপরেই আটকে দেওয়া হয় জাহাজটিকে। পরীক্ষা করে তিন-চারজনের শরীরে করোনাভাইরাসের খোঁজ মেলে। দেখা যায় তাঁরা সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটারি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত। তাঁদের কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হয়।

জাহাজের যাত্রীরা জানিয়েছেন, প্রথমে তিন-চারজনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়লেও এখন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। যাত্রীদের ঘর থেকে বেরনো নিষেধ হয়ে গেছে। আইসোলেশন কেবিনে ঠাসাঠাসি ভিড়। জাহাজের বাথরুম ও রান্নাঘর স্যানিটাইজ করা হচ্ছে।
“মনে হচ্ছে জেলে আছি। ঘরের বাইরে পা রাখা নিষেধ। এদিকে রোজই নতুন একজন করে সংক্রামিত হচ্ছেন। প্রথমে বলা হয়েছিল দু’দিন কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হবে, এখন সেটা অনির্দিষ্ট কালে গিয়ে দাঁড়িয়েছে,” বলেছেন জাহাজের এক ভারতীয় যাত্রী বনিতা রেঙ্গরাজ। চেন্নাইয়ের এক যুবককে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে বলে খবর।
মিশরের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, তাইওয়ান ও আমেরিকার যাত্রীদের মধ্যে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। তাঁদের সংস্পর্শে থাকা যাত্রীদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়ায়। তবে সংক্রামিতদের উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল টিম পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে জাহাজে আটকে পড়া ভারতীয় যাত্রীরা দেশে ফেরার কাতর আবেদন জানিয়েছেন। সাহায্য চেয়ে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।