
শেষ আপডেট: 24 June 2023 14:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তার বিরুদ্ধে অন্তত ৮টি মামলা ছিল। যার মধ্যে অনেকগুলিই নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং খুনের! মারাত্মক সব অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছিল সে। কিন্তু পরে জামিনে মুক্তি পায়। জেল থেকে বেরিয়েই ফের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল অভিযুক্ত। তারপর থেকে পলাতক ছিল সে। তাকে খুঁজে দিতে পারলেই ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছিল পুলিশ। অবশেষে শুক্রবার একটি এনকাউন্টারে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অভিযুক্তের নাম রামজি ভার্মা। সে উত্তরপ্রদেশের ফারুখাবাদ জেলার খুদাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। ২০১৯ সালে প্রথমবার একটি ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় তাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ফারুখাবাদ এবং কনৌজের বিভিন্ন জায়গায় তার বিরুদ্ধে অন্তত ৮টি ধর্ষণ এবং খুনের মামলা রয়েছে। নির্যাতিতাদের প্রায় প্রত্যেকেই নাবালিকা। সেই মামলায় পরে জামিনে মুক্তি পায় অভিযুক্ত। কিন্তু ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে কনৌজে ফের ১৩ বছর বয়সি একটি নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে সে। কিন্তু সেই অভিযোগ পাওয়ার পরেও যথেষ্ট প্রমাণের অভাবে পুলিশ কিছু করতে পারছিল না। তাই তারা অপরাধীর সন্ধান দেওয়ার জন্য ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে।
তারপরেই গোপন সূত্র মারফত রামজির সন্ধান মেলে। গত শুক্রবার একটি এনকাউন্টারে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার পায়ে গুলি লেগেছিল। এনকাউন্টারের পর তাকে চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, ২০১৮ সালে ৫ বছরের একটি শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। তারপর খুনও করে তাকে। ওই একই বছরে আরও একটি মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল রামজি।
বেশিরভাগ মামলাতেই ঘটনার কোনও প্রত্যক্ষদর্শী ছিল না, এবং নিগৃহীত শিশুগুলিও রামজিকে চিনতে পার্ট না। তাই তার বিরুদ্ধে কোনও মামলাই ধোপে টিকেছিল না। তবে পরে পুলিশ জানতে পারে, বহু ক্ষেত্রেই শিশুদের নির্যাতন করার সময় সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করত রামজি। পরে সেগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করত। তারপরেই সেই ধরনের বেশ কিছু প্রমাণ সংগ্ৰহ করেছে পুলিশ। আরও প্রমাণ পাওয়ার জন্য অভিযুক্তের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলিতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
বাবার বন্দুক নিয়ে গুলি চালিয়ে দিল ২ বছরের ছেলে, মৃত্যু অন্তঃস্বত্ত্বা মায়ের