Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

হবে না পুনর্নিয়োগও, অবসর নিয়েছেন একমাত্র শিক্ষিকা, হুগলিতে আতান্তরে ৮০ জন পড়ুয়া

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ওই সবেধন নীলমণি ওই শিক্ষিকাও অবসর নিয়েছেন। তারপর থেকেই বন্ধ পঠনপাঠন। তালা ঝুলছে স্কুলে। আতান্তরে গ্রামের ৮০ জন পড়ুয়া।

হবে না পুনর্নিয়োগও, অবসর নিয়েছেন একমাত্র শিক্ষিকা, হুগলিতে আতান্তরে ৮০ জন পড়ুয়া

শেষ আপডেট: 9 January 2024 18:52

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কালের নিয়মে এক এক করে অবসর নিচ্ছিলেন শিক্ষক, শিক্ষিকারা। সংখ্যাটা কমতে কমতে একে এসে দাঁড়িয়েছিল। একজন শিক্ষিকাকে নিয়েই হুগলির হরিপালে চলছিল কৃষ্ণপুর বেলেরপাড় শিশু শিক্ষা কেন্দ্র।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ওই সবেধন নীলমণি ওই শিক্ষিকাও অবসর নিয়েছেন। তারপর থেকেই বন্ধ পঠনপাঠন। তালা ঝুলছে স্কুলে। আতান্তরে গ্রামের ৮০ জন পড়ুয়া।

অবিলম্বে শিক্ষক, শিক্ষিকা নিয়োগ করে পুনরায় স্কুল চালুর দাবিতে সম্প্রতি বিক্ষোভও দেখিয়েছেন গ্রামবাসীরা। যদিও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন করে পুনর্নিয়োগ হবে না।

ফলে চরম দুশ্চিন্তায় গ্রামের মানুষ। তাঁদের কথায়, গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা আর্থিকভাবে দুর্বল। দিন আনি দিন খাইয়ের মতো অবস্থা। ফলে ২ বেলা খাবারের ব্যবস্থা করতেই হিমশিম খেতে হয়। সেখানে বেসরকারি স্কুলে ছেলেমেয়েদের পড়ানোর মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। তাই গ্রামেই থাকা সরকারি স্কুলটি পুনরায় চালু করা হলে গ্রামের ছেলে মেয়েরা পড়াশোনার সুযোগ পাবে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, ২০০০ সালে বাম আমলে হরিপালের কৃষ্ণপুর গ্রামে চালু হয়েছিল এই শিশু শিক্ষা কেন্দ্রটি। পঠন পাঠন বন্ধের সঙ্গে বন্ধ রয়েছে মিড ডে মিলও।

যদিও সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, এই স্কুলে আর পুনর্নিয়োগ হবে না। অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর স্কুলের একজন শিক্ষিকার অবসরের সঙ্গে সঙ্গেই হরিপালের কৃষ্ণপুর বেলেরপাড় শিশু শিক্ষা কেন্দ্রও পাকাপাকিভাবে বন্ধ হয়ে গেল। তবে ওই স্কুলের পড়ুয়াদের অন্যত্র ভর্তি করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসন।


```