
শেষ আপডেট: 15 December 2019 18:30
২০০৭ সালে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, তখন থেকেই মাঝারি ওজনের যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আমেরিকা, রাশিয়া, সুইডেনের মোট ছ’টি বিমান সংস্থা প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। লকহিড মার্টিনের এফ-১৬ ফ্যালকন, বোয়িংয়ের এফ-১৮ হর্নেট, সাব গ্রিপেন, মিগ-৩৫-কে বাদ দিয়ে শেষে প্রতিযোগিতা এসে দাঁড়ায় ইউরোফাইটার সংস্থার টাইফুন এবং রাফালের মধ্যে। কিন্তু ইউরোফাইটার-এর তুলনায় কম দর হেঁকে বাজি ছিনিয়ে নেয় দাসো।
সামরিক পরিভাষায় রাফালকে ‘মাল্টিরোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্ট’ বলা হয়। এই রাফাল যুদ্ধবিমান প্রতিপক্ষের উপর আঘাত হানতে পারে সুনিপুণ দক্ষতায়। অনেক উঁচু থেকে হামলা চালানো, যুদ্ধজাহাস ধ্বংস করা, মিসাইল নিক্ষেপ এমনকী পরমাণু হামলা চালানোর ক্ষমতাও রয়েছে রাফালের। এয়ার চিফ মার্শাল জানিয়েছেন, রাফালকে আরও শক্তিশালী করার জন্য ‘মেটিওর’ এবং ‘স্কাল্প’, এই দু’টি মিসাইল যোগ হবে রাফালে। লক্ষ্যসীমার বাইরে নিপুণ আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ‘মেটিওর’। লো-অবর্জাভর ক্রুজ মিসাইল স্ক্যাল্প (ফ্রান্সে এর নাম স্ক্যাল্প ইজি) ব্যবহার করে ব্রিটিশ ও ফরাসি বায়ুসেনা। ৫৬০ কিলোমিটার পাল্লার এই মিসাইল রাফালকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলবে।
রাফাল বিমান কেনার সময় ফরাসি সরকারের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী দলের সদস্য ছিলেন ভাদুড়িয়া। বিমান বাহিনীর প্রথম অফিসার হিসাবে রাফাল চালানোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। বায়ুসেনা সূত্র জানাচ্ছে, ভারতীয় বায়ুসেনার এই বর্ষীয়াণ ও অভিজ্ঞ এয়ার মার্শালের নামেই তাই প্রথম রাফাল যুদ্ধবিমানের নামকরণ করা হয়েছে ‘আরবি ০১। (RB-01)’। ভাদুরিয়া বলেছেন, রাফাল ভারতীয় বায়ুসেনার আক্রমণের ক্ষমতাকে এক ধাক্কায় অনেক বেশি শক্তিশালী করে তুলবে।