দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০ ঘণ্টার টানা সফরে একটুও ঝিমুনি নয়। যাত্রীদের মুখে ক্লান্তির ছায়াই পড়তে দেবেন না কান্টাস এয়ারওয়েজ। জেট ল্যাগ কাটানোর নিত্যনতুন উপায় নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ।
২০২২ সাল থেকে সিডনি হয়ে নিউইয়র্ক ও লন্ডন পর্যন্ত প্রায় ২০ ঘণ্টার সফর করতে চলেছে কান্টাস এয়ারওয়েজ। এই দীর্ঘ সময় যাত্রীদের তরতাজা, ফুরফুরে রাখার জন্যই নানা উপায় বার করছেন গবেষকরা। দীর্ঘ সময় সফর করে যে সব বিমান তাদের ক্ষেত্রে যাত্রী পরিষেবার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও সময় নির্ধারিত থাকে। যেমন কোন সময় যাত্রীদের খাবার দেওয়া হবে, খাবারের মেনুতে কী কী থাকবে, সেটা সুনির্দিষ্ট থাকে। আবার বিশ্রামের একটা মোটামুটি সময় নির্দিষ্ট থাকে। কান্টাসের চিফ একজিকিউটিভ অফিসার অ্যালান জয়েস জানিয়েছেন, গতেবাঁধা এই পদ্ধতিতেই বদল আনতে কান্টাস এয়ারওয়েজ।
https://twitter.com/QantasUSA/status/1164704226859192321?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1164704226859192321&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ndtv.com%2Fworld-news%2Fon-worlds-longest-qantas-flight-bright-lights-hot-peppers-to-beat-jet-lag-2118682
কী কী করা যেতে পারে? কান্টাস এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আপাতত গোটা বিষয়টাই গবেষণার স্তরে রয়েছে। যেটা দেখা গেছে, যাত্রীদের যদি বেশ কিছুটা সময় বেশি জাগিয়ে রাখা যায় তাহলে ক্লান্তিভাবটা অনেক কম হয়। তার জন্য জোরালো আলো, বই পড়ার সুবিধা করে দেওয়া ইত্যাদি ব্যবস্থা করা যেতে পারে। অন্তত ৬ ঘণ্টা যাত্রীদের টানা জাগিয়ে রাখা গেলে জেট ল্যাগের প্রভাব অনেকটাই কম পড়বে। পাশাপাশি, বদলে দেওয়া যেতে পারে খাবারে মেনু। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, দেখা গেছে গরম খাবার বা ঝাল, মুচমুচে কিছু খেলে যাত্রীদের মধ্যে ঝিমুনিভাবটা অনেকটাই কমে যায়।
কান্টাস বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এমনিতেই কম যাত্রী নিয়ে দীর্ঘ সময়ের সফর করে। যাত্রীসংখ্যা পঞ্চাশের বেশি হয় না। আপাতত তাদের ৬টি উড়ানে এই নতুন পরীক্ষানিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। তাতে নাকি খুব ভালো ফলও দেখা গেছে।
যারা নিয়মিত বিদেশ ভ্রমণে যান তাদের কাছে জেট ল্যাগ বিষয়টি পরিচিত। একে ‘টাইম জোন চেঞ্জ সিনড্রোম’ বা ‘জেট ল্যাগ ডিজঅর্ডার’-ও বলা হয়। লম্বা ভ্রমণে টাইম জোনের পরিবর্তনের ফলে আমাদের শারীরিক কার্যক্রমের ছন্দ নষ্ট হয়। ফলে খিদে, ঘুম, হরমোন নিঃসরণে ব্যাঘাত ঘটে। এর লক্ষণ হচ্ছে ঘুমের ব্যাঘাত, মাথাব্যথা, বিরক্তি, বমিবমি ভাব, মাংসপেশীর ব্যথা এবং শারীরিক দুর্বলতা। সাধারণত জেট ল্যাগ কাটিয়ে উঠতে কারও হয়তো একদিন লাগে, আবার কারও হয়তো কয়েকদিন লেগে যায়। কান্টাস এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, এই সব অসুবিধা যাতে না হয় তার জন্যই এই প্রচেষ্টা।
পড়ুন, দ্য ওয়ালের পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা...
https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87/