
শেষ আপডেট: 27 October 2019 18:30
গোটা ঘটনার নিন্দা করেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান। তিনি বলেন, ‘‘এই ঘটনা অপ্রত্যাশিত। প্রতিবাদীদের আচরণের তীব্র নিন্দা করছি। ব্রিটেনের পুলিশকে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নিতে আমি অনুরোধ করেছি।’’
লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, ‘‘বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও খালিস্তানের পতাকা। প্রতিবাদ মিছিলের জন্য আগেও তারা আবেদন করেছিল। সেই আবেদন খারিজ হয়ে গেলে হিংসাত্মক পদ্ধতিতে আন্দোলনে নামে তারা। ইচ্ছাকৃতভাবেই বেছে নেওয়া হয় দীপাবলির সকাল, যাতে লন্ডনে ভারতীয়দের আনন্দ-অনুষ্ঠানে ছেদ পড়ে। ধর্মের ধ্বজা উড়িয়ে ব্রিটেনে বিভেদ তৈরি করতে চাইছে তারা।’’
রবিবারের আন্দোলনের পুরোভাগে ছিলেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ধর্মযাজক লর্ড নাজির আহমেদ। প্ল্যাকার্ড নিয়ে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় দেখা গিয়েছিল তাঁকেই। অ্যাসিস্টান্ট ডেপুটি কমিশনার ম্যাট টুইস্ট বলেছেন, প্রায় শতাধিক সংগঠন এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল। যাদের মধ্যে ছিল মুসলিম অ্যাকশন ফোরাম, ওয়ার্ল্ড মুসলিম ফেডারেশন, পাকিস্তান প্যাট্রিওটিক ফ্রন্ট, ওভারসিজ পাকিস্তান ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের পাঁচ থেকে দশ হাজার বিক্ষোভকারী।
কাশ্মীর ইস্যুতে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার প্রতিবাদ হল ভারতীয় দূতাবাসের বাইরে। প্রতিবাদীরা প্রথম জমায়েত করেছিলেন ভারতের স্বাধীনতা দিবসের দিনে। হাই কমিশন বিল্ডিংয়ে সেই বারও ডিম, পাথর ছোড়ে বিক্ষুব্ধ প্রবাসী ভারতীয়রা। পুলিশ চার জনকে আটক করেছিল সেই ঘটনায়।
কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার পর থেকেই উত্তাপ টের পাওয়া যাচ্ছে লন্ডনের পথঘাটে। কাশ্মীরে মানবাধিকার ফেরানোর দাবিতে ট্রাফালগার স্কোয়ারে মিছিল হয়েছে একাধিকবার। সেখানেও শান্তিপূর্ণ পথে যাঁরা হাঁটছিলেন, তাঁদের উপরে চড়াও হওয়ার অভিযোগ ওঠে পাকিস্তানি এবং খলিস্তানিদের বিরুদ্ধে। বার্মিংহ্যামে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বয়কট করার ডাক দিয়েছেন ব্রিটিশ পাকিস্তানিরা।
https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/%e0%a6%b6%e0%a6%af%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8/