দ্য ওয়াল ব্যুরো : কৌন কাস্ট হ্যায়? লাঠি হাতে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল এক যুবককে। সেই যুবক একটি জাতের নাম বলল। তারপর শুরু হল মারধর। তাকে যথেচ্ছ লাথি, ঘুষি মারতে লাগল একদল লোক। সেই সঙ্গে চলল লাঠিপেটা। উত্তরপ্রদেহের কানপুর দেহাতে ঘটে যাওয়া এমনই এক ঘটনার ভিডিও ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পুলিশ জানিয়েছে, মারধরে যুক্ত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে।
https://twitter.com/kamalkhan_NDTV/status/1413738141693874178
শনিবার পুলিশ জানায়, দু'দিন আগে কানপুর দেহাতের আকবরপুর অঞ্চলে এক যুবককে ওইভাবে মারধর করা হয়। কানপুর দেহাতের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘনশ্যাম চৌরাসিয়া বলেন, "আমরা ওই ভিডিও দেখার পরেই ব্যবস্থা নিয়েছি। ভিডিওতে যাদের মারধর করতে দেখা গিয়েছে, তাদের একজন গ্রেফতার হয়েছে। আরও দু'জনের সন্ধানে তল্লাশি চলছে। সেজন্য পুলিশের বিশেষ টিম তৈরি করা হয়েছে।"
অপর একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আক্রান্ত যুবককে একটি গাছের সামনে দাঁড় করানো হয়েছে। তার হাতদু'টি ধরে আছে এক ব্যক্তি। অপর একজন লাঠি দিয়ে আঘাত করছে যুবকের গোপন অঙ্গে।
কিছুদিন আগে উত্তরপ্রদেশের আরও একটি ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে দেশ জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। গত ৮ জুলাই উত্তরপ্রদেশে ব্লক পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন পেশ করতে যাচ্ছিলেন এক মহিলা। পথে দুই দুষ্কৃতী তাঁর শাড়ি ধরে টানাটানি করে। জানা গিয়েছে, আক্রান্ত মহিলা অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির সদস্য। লখনউ থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে লখিমপুর খেরি অঞ্চলে ওই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ অফিসার প্রশান্ত কুমার জানান, পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন পেশ করাকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার রাজ্যের অন্তত এক ডজন জায়গায় সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবার ৮২৫ টি ব্লক প্রমুখ পদে নির্বাচন হবে। প্রশান্ত কুমার বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি, অনেক জায়গায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। কাগজপত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছে।” দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
আগামী বছরেই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট হবে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এবছর পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফলে কিছুটা আন্দাজ পাওয়া যাবে, বিধানসভা ভোটের ফল কী হতে পারে। সম্প্রতি জেলা পরিষদের নির্বাচনে ভাল ফল করেছে বিজেপি। মোট ৭৫ টি আসনের মধ্যে ৬৭ টি দখল করেছে তারা। সমাজবাদী পার্টি জিতেছে মাত্র পাঁচটি আসন। রাষ্ট্রীয় লোকদল ও জনসত্তা দল পেয়েছে একটি করে আসন। জয়ী হয়েছেন এক নির্দলও। মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি।