
শেষ আপডেট: 26 February 2019 08:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়ন্ত্রণরেখা এবং ভারত-পাক সীমানা বরাবর যে গ্রামগুলিতে স্থানীয় মানুষ বসবাস করছেন, তাঁদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে হবে বলে জানালেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। তিনি জানান, কোনও ভাবেই যেন ওই মানুষগুলি পাকিস্তানি প্রত্যাঘাতের মুখে না পড়ে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে এলাকা খালি করে, মানুষজনকে নিরাপদ জায়গায় সরানোর কথা বলেছেন তিনি।
দেখে নিন টুইট।

মঙ্গলবার ভোর রাতে, ঘন অন্ধকারের মধ্যে ভারতীয় বায়ুসেনা আঘাত হানে পাকিস্তানের বালাকোটে। সাউথ ব্লক সূত্র জানাচ্ছে, মিনিট পনেরোর অপারেশনেই নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে খাইবার-পাখতুনখোয়া অঞ্চলে জঙ্গি শিবির একেবারেই নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা।
এই ঘটনার পরেই জানানো হয়, ভারতের অপারেশন প্রথম দফায় সফল। এ দিন ভোর রাতে মুজফ্রাবাদে সেক্টর দিয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রবেশ করে ভারতীয় বায়ুসেনার মিরাজ ২০০০ বিমান। বালাকোটের দূরত্ব সেখান থেকে প্রায় পঞ্চাশ মাইল। সাউথ ব্লক জানাচ্ছে, ১২টি মিরাজ যখন নিয়ন্ত্রণরেখা পার করে ওপারে ঢোকে তখন টেরও পায়নি ইসলামাবাদ। তার পর এক হাজার কেজি ওজনের বোম দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বালাকোটের সমস্ত জঙ্গি শিবির।
১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফের কনভয়ে জঙ্গি হামলার নেপথ্যে ছিল পাক জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ ই মহম্মদ। জইশ চিফ মাসুদ আজহার ও তার ভাই আকছার বালাকোটে জঙ্গি শিবিরে যায়। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সেটাই তাদের মূল ঘাঁটি।
এই প্রত্যাঘাতের পরেই আশঙ্কা করে হচ্ছে, পাকিস্তানও মুখতোড় জবাব দিতে পারে। ইতিমধ্যেই রাজৌরিতে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি ভেঙে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। ফলে এই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে নিয়ন্ত্রণরেখা এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ কাশ্মীরি মানুষদের বিপদ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তা থেকেই তাঁদের বাঁচানোর জন্য প্রশাসনকে সতর্ক হতে বলেছেন ওমর আবদুল্লা।