
শেষ আপডেট: 20 March 2024 17:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: অশীতিপর শাশুড়িকে হাত বেঁধে শরীরে পাথর চাপা দিয়ে অমানবিক অত্যাচারের অভিযোগ উঠল বধূর বিরুদ্ধে। সেই ছবি ভাইরাল হতেই কাউন্সিলর এবং পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় উদ্ধার পেলেন কাউন্সিলর।
ছবি ভাইরাল হতেই অবশ্য অভিযুক্ত বৌমা দাবি করলেন, চিকিৎসকের কথাতেই এমন কাজ করেছেন তিনি। এটা কোনও মতেই নির্যাতন নয়। তবে এই দাবি মানতে নারাজ পড়শিরা।
নবদ্বীপ পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতাপনগর শিমুলতলা এলাকার বাসিন্দা বৃদ্ধা বকুলরানি দাস। অশীতিপর এই বৃদ্ধাকেই দু-হাত বেঁধে শরীরে পাথর ও ইট চাপা দিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বৌমার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেই ছবি কোনওভাবে ভাইরাল হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। কাতারে কাতারে মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে ওই বৃদ্ধার বাড়ির সামনে। তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাড়া প্রতিবেশীরা বাড়িতে চড়াও হয়েছে দেখে প্রথমে রুখে দাঁড়ান ওই মহিলা। কিন্তু পরে অবস্থা বেগতিক দেখে ঘটনার কথা অস্বীকার করেন। পরে জানায়, শাশুড়িকে নির্যাতনের কোনও অভিসন্ধি ছিল না তার। ডাক্তারের পরামর্শেই এই কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু কে ডাক্তার, বা তিনি কী পরামর্শ দিয়েছেন, সে সম্পর্কে কিছুই জানাতে পারেননি। তারপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষজন। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে অবস্থা সামাল দেয়।