
শেষ আপডেট: 29 May 2020 18:30
ভুবণেশ্বরে নিজের বাসভবনে সকলের সঙ্গে গলা মেলালেন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। “আমাদের সুরক্ষার জন্য লড়ছেন যাঁরা সেই করোনা যোদ্ধাদের স্যালুট”, নিজের বাসভবনে পরিবারের সঙ্গে ‘বন্দে উৎকল জননী’ গাইলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ওড়িশার করোনা লড়াইকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর নিজের গলায় গাওয়া ‘বন্দে উৎকল জননী’ টুইটারে পোস্ট করেছেন আশা ভোসলে।
https://twitter.com/Naveen_Odisha/status/1266707135976488961
গীতকান্ত কবি লক্ষ্মীকান্ত মহাপাত্রের লেখা ‘বন্দে উৎকল জননী’। ১৯৩৬ সালের ১ এপ্রিল অবিভক্ত বঙ্গ-বিহার-ওড়িশা প্রদেশ ভেঙে পৃথক ওড়িশা রাজ্য তৈরি হওয়ার পরে এই গানটিকে রাজ্যের সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
https://twitter.com/ashabhosle/status/1266687789279502337
রাজনৈতিক নেতাব্যক্তিত্ব থেকে সেলিব্রিটি, শ্রমিক-মজুর থেকে স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশকর্মী, শিক্ষক-অধ্যাপক গোটা উৎকল রাজ্যই আজ হাতে হাত রেখে, সুরে সুর মিলিয়ে এক নতুন দিনের শপথ নিল। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইটা হবে সংহতির, করোনা মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা যাঁদের সেই মানুষগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা, ভালবাসা থাকবে অটুট। আজকের এই কর্মসূচী নিছক অনুষ্ঠান নয়, একে অপরের পাশে থাকার আশ্বাস।

গত ২৮ মে ভিডিও কনফারেন্সে মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক বলেছিলেন করোনার সংক্রমণ বাড়ছে দেশে। সংক্রামিতদের সেবা করতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন, প্রাণ দিতে হচ্ছে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মীদের। রাজ্যের সুরক্ষায় দিনরাত এক করছেন পুলিশকর্মীরা। এবার সময় এসেছে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, দেশে করোনা সংক্রমণ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ালেও ওড়িশা অনেকটাই সংক্রমণের মোকাবিলা করতে পেরেছে। ৫০ শতাংশ কোভিড রোগী ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়েছেন রাজ্যে। সংক্রামিতদের উপযুক্ত চিকিৎসা চলছে। রাজ্যে কোভিড সংক্রমণে মৃত্যুহার দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম।
https://twitter.com/spjajpur/status/1266723886395035650
মে মাসের শুরুতে করোনা যোদ্ধাদের অভিবাদন জানাতে দেশজোড়া মেগা পরিকল্পনা নিয়েছিল মোদী সরকার। দিল্লি-সহ বহু শহরের আকাশ চিরে উড়েছিল বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান। হাসপাতাল, নার্সিংহোমের উপর ফুল ছড়িয়ে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মীদের শ্রদ্ধা জানিয়েছিল বায়ুসেনার হেলিকপ্টার। যুদ্ধজাহাজে জ্বলে উঠেছিল আলো। প্রতীকী করোনাকে ঘুঁষি মেরে সংহতির লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছিল নৌসেনা।
https://twitter.com/achyuta_samanta/status/1266723684988796928
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের কথায়, “এই গানেই সংহতির পথকে প্রশস্ত করবে। গানের প্রতিটি কথা আমাদের শক্তি যোগাবে, ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অনুপ্রেরণা দেবে। আগামী দিনে আরও কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হবে মানুষকে। তার জন্য নতুন উদ্যোমে জেগে উঠতে হবে। এই উদ্যোম ও উৎসাহ আসবে এই একতা থেকেই।“