
শেষ আপডেট: 11 August 2022 07:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওড়িশার (Odisha) একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রে (De-addiction center) দেখা গেল ভয়ঙ্কর ঘটনা। এক বিশেষভাবে সক্ষম (Disabled) আবাসিককে জোর করে নিজেদের পা চাটতে (Lick feet) বাধ্য করল (Forced) অন্য দুই আবাসিক। তারপর ওই আবাসিক জিভ পরিষ্কার করার চেষ্টা করলে লাঠি দিয়ে এবং চুলের মুঠি ধরে মারধর করে তাকে আরও কয়েকবার পা চাটতে বাধ্য করে ওই দু'জন।
ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের একটি নেশামুক্ত কেন্দ্রের এক ঘটনার ভিডিও সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে। জানা গেছে, ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছরের জুলাই মাসে। ভাইরাল হয়ে যাওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নেশামুক্তি কেন্দ্রের মেঝেতে বসে কাঁদছেন এক বিশেষভাবে সক্ষম যুবক। আর লাঠি নিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে নিজেদের পা চাটার নির্দেশ দিচ্ছে অন্য দুই যুবক। কাঁদতে কাঁদতে ওই যুবক তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলেও কথা শুনছে না কেউ। উল্টে, কথা না শুনলে ফল খুব ভয়ঙ্কর হবে বলে তাঁকে শাসাতে থাকে দুই অভিযুক্ত।
https://twitter.com/rupashreenanda/status/1557273693595635713?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1557273693595635713%7Ctwgr%5Ea612e88bc8bd366ff82adc5e776427b22621e44c%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.timesnownews.com%2Fmirror-now%2Fcrime%2Fodisha-disabled-man-forced-to-lick-mans-feet-video-causes-outrage-online-article-93489273
এরপরেই ওই যুবকের মুখের সামনে নিজের পা নিয়ে যায় এক অভিযুক্ত। হলুদ টি-শার্ট পরা ওই ব্যক্তির পা চাটতে বাধ্য হন ওই যুবক। এরপর তিনি নিজের জিভ পরিষ্কার করার চেষ্টা করলে লাঠি দিয়ে তাঁকে ভয় দেখায় লাল গেঞ্জি পরা আর এক অভিযুক্ত। ওই যুবকের চুলের মুঠি ধরে তাঁকে আরও দুবার নিজেদের পা চাটতে বাধ্য করে দুই যুবক। নির্বাক দর্শকের মতো পাশে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনা দেখছিলেন নেশামুক্তি কেন্দ্রের বাকি আৱাসিকরা।
ইন্টারনেটে এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই নিন্দায় সরব হয়েছেন নেটিজেনরা। দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন তাঁরা। ময়ূরভঞ্জের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে দুই অভিযুক্তকে। ঘটনায় মামলাও দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নেশামুক্তি কেন্দ্রটি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এই ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা। এক বছর আগে এই ধরনের অমানবিক ঘটনা ঘটার পরেও কীভাবে এবং কেন এতদিন হাত গুটিয়ে বসে ছিল পুলিশ, সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা।
উত্তরপ্রদেশের পুলিশ ক্যাম্পে ‘পশুরও অখাদ্য’ খাবার, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কনস্টেবল