দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা-আশঙ্কায় সন্ত্রস্ত সময়ে নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠল এনআরএস হাসপাতালের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে! অভিযোগ, তিনি, হাসপাতালের সুপার এবং নার্সিং সুপার আইসোলেশন ওয়ার্ডে ঢোকার সময়ে কোনও আলাদা সতর্কতা বা সাবধানতা অবলম্বন করেননি।
এনআরএস হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি রয়েছেন আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজের দুই ছাত্রী। হাসপাতালের কর্মীদেরই একাংশের তরফে অভিযোগ উঠেছে, এ দিন হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে যাওয়ার সময়ে অধ্যক্ষ-সহ অন্য আধিকারিকদের কারও মুখে মাস্ক ছিল না। আলাদা অ্যাপ্রনও ছিল না।
এনআরএসের অধ্যক্ষ, চিকিৎসক শৈবাল মুখোপাধ্যায় অবশ্য জানালেন, ঘটনা সত্যি হলেও অভিযোগ সত্যি নয়। তাঁর কথায়, "ওই দুই ছাত্রী অসুস্থ বোধ করায় ওদের রাখা হয়েছে পর্যবেক্ষণে। করোনার কোনও লক্ষণ বা সন্দেহ বিন্দুমাত্র নেই। পুরোটাই আতঙ্কে ঘটছে। গুজব ছড়াচ্ছে। ওই রোগীরা কোনও ভাবেই করোনা-সন্দেহভাজন নয়। তা হলে এমনটা কখনওই হতো না। আমরা চিকিৎসকরা এতটাও দায়িত্বজ্ঞানহীন নই, এমন কাজ করার মতো।"
চিকিৎসকরা বলছেন, আইসোলেশন ওয়ার্ডে ঢুকতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। পরতে হয় আলাদা অ্যাপ্রন। জুতো, মাস্ক, চশমা জরুরি। সেখানে খোদ অধ্যক্ষ ও অন্যরা কেন এইভাবে নিয়ম ভাঙলেন, যথাযথ সর্তকতা অবলম্বন করলেন না, সেই প্রশ্ন উঠেছে হাসপাতালের অন্দরেই। চিকিৎসকদের একাংশও এমন আচরণে অত্যন্ত বিরক্ত এবং ক্ষুব্ধ।
এ বিষয়ে হাসপাতালের সুপারকে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি। তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হবে।