Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বেকারত্ব, মন্দা থেকে চোখ ঘোরাতেই সিএএ-এনআরসি, ৪৩ শতাংশ মানুষ তাই মনে করছেন: সমীক্ষা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরোধীরা প্রায়শই বলেন, প্রকৃত সমস্যা থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহর জুড়ি নেই। সমীক্ষাও তাই জানান দিল! দেশের মন বোঝার জন্য ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপ একটি সমীক্ষা করেছিল। ‘মুড অব দ্য নেশন’- নামে সেই সমীক্ষায় দে

বেকারত্ব, মন্দা থেকে চোখ ঘোরাতেই সিএএ-এনআরসি, ৪৩ শতাংশ মানুষ তাই মনে করছেন: সমীক্ষা

শেষ আপডেট: 23 January 2020 18:04

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিরোধীরা প্রায়শই বলেন, প্রকৃত সমস্যা থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহর জুড়ি নেই। সমীক্ষাও তাই জানান দিল! দেশের মন বোঝার জন্য ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপ একটি সমীক্ষা করেছিল। ‘মুড অব দ্য নেশন’- নামে সেই সমীক্ষায় দেখা গেল, দেশের ৪৩ শতাংশ মানুষই মনে করছেন, বেকারত্ব, কর্মসংস্থানের সুযোগের অভাব, অর্থনৈতিক অব্যবস্থা, মূল্যবৃদ্ধি ইত্যাদি সমস্যার থেকে মানুষের চোখ ঘোরাতেই নাগরিকত্ব সংশোধন আইন পাশ করিয়েছে মোদী সরকার। একই কারণে দেশ জুড়ে এনআরসি তথা জাতীয় নাগরিক পঞ্জি বাস্তবায়ণের কথা বলা হয়েছিল। তুলনায় দেশের মাত্র ৩২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, সঠিক প্রয়োজনেই নাগরিকত্ব সংশোধন বিল পাশ করা হয়েছে। প্রকৃত সমস্যার থেকে চোখ ঘোরানোর জন্য তা করা হয়নি। আর ২৫ শতাংশ মানুষ সমীক্ষায় জানিয়েছেন, এটা স্পষ্ট করে তাঁরা বলতে পারবেন না বা জানেন না। তাৎপর্যপূর্ণ হল, গত লোকসভা ভোটে দেশের মোট ভোটারের ৩২ শতাংশের সমর্থন পেয়ে কেন্দ্রে ফের ক্ষমতা দখল করেছেন নরেন্দ্র মোদী। অর্থাৎ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ তখনও তাঁদের সঙ্গে ছিল না, এখনও নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেলেও, কেন্দ্রে বর্তমান সরকারকে তাই সংখ্যাগরিষ্ঠের সরকার বলা যায় না। সে যাক। সমীক্ষার সময়ে আঞ্চলিক বিন্যাসের কথাও মাথায় রাখা হয়েছিল। অর্থাৎ সিএএ কিংবা এনআরসি নিয়ে দেশের কোন অংশের প্রতিক্রিয়া কেমন! দেখা গিয়েছে, দক্ষিণ ভারতের ৫০ শতাংশ মানুষই মনে করছেন, সিএএ এবং এনআরসি কৌশলগত কারণেই এখন সামনে আনা হয়েছে। কারণ, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভাল নয়। তা নিয়ে যাতে হইচই বেশি না হয় সেজন্যই একটি বিতর্কিত বিষয়কে সামনে এনে গোল পাকানোর ব্যবস্থা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এখনই লোকসভা ভোট হলে ৩২ টি আসনে হারাবে বিজেপি, যদিও মোদীই সেরা পছন্দ

একই ভাবে পশ্চিমবঙ্গ পূর্ব ভারতের ৪৪ শতাংশ মানুষও এই মতের পক্ষে। উত্তর ও পশ্চিম ভারতে যথাক্রমে ৪০ ও ৪১ শতাংশ মানুষ এই মত বিশ্বাস করেন। তা ছাড়া ধর্মের ভিত্তিতেও সিএএ-এনআরসি সম্পর্কে সমীক্ষায় মতামত নেওয়া হয়। দেখা গিয়েছে, ৪২ শতাংশ হিন্দু মনে করেন এই বিষয় দুটি দেশের মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে উত্থাপন করা হয়েছে, ৫৫ শতাংশ মুসলমানের তাই মত। গোটা দেশে মোট ১২,১৪১ জনের সঙ্গে সমীক্ষকরা কথা বলেন। এর মধ্যে ৬৭ শতাংশ গ্রামীণ এলাকার মানুষ, ৩৩ শতাংশ শহুরে। লোকসভার ৯৭টি আসন ও বিধানসভার ১৯৪ টি কেন্দ্রে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, ছত্তীসগড়, পশ্চিমবঙ্গ সহ ১৯ টি রাজ্য জুড়ে এই সমীক্ষা করেছেন সমীক্ষকরা।

```