
শেষ আপডেট: 16 March 2023 11:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত সোমবার বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) বাইয়াপ্পানাহল্লি স্টেশনে প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে উদ্ধার হয় এক তরুণীর মৃতদেহ। তবে এটাই প্রথমবার নয়। গত তিন মাসে বেঙ্গালুরুতে গত তিন মাসে তিন মহিলার মৃতদেহ স্টেশন চত্বর থেকে উদ্ধার হয়। সেকারণেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। এদিকে সামনেই কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে শহরে এমন পর পর খুনের ঘটনায় বিজেপির দিকে আঙুল তুলছিল কংগ্রেস। তাদের দাবি, শহরে সিরিয়াল কিলার (Serial killing) ঘুরে বেড়াচ্ছে। একের পর এক খুন হচ্ছে, কিন্তু প্রশাসন খুনের কিনারা করতে পারছে না।
বেঙ্গালুরু পুলিশ (police) জানিয়েছেন যে, এই তিনটে মৃত্যুর মধ্যে কোনও যোগসূত্র নেই। কারণ, তৃতীয় খুনের ঘটনার কিনারা তারা করেছেন। বাইয়াপ্পানাহল্লি স্টেশনে উদ্ধার হওয়া তরুণীর নাম তামান্না। তিনি বিহারের বাসিন্দা। বিবাহ সূত্রে থাকতেন বেঙ্গালুরুতে। স্বামীর নাম আফরোজ। কিছুদিন আগে স্বামীকে ছেড়ে এক আত্মীয় ইন্তেকাবের সঙ্গে পালিয়ে যায় সে। সেকারণেই, আফরোজের ভাই কামাল গত ১২ ফেব্রুয়ারি তাঁর বৌদি তমান্নাকে খুন করে। কামালকে খুনে সাহায্য করে এক বন্ধু। তারা দুজন মিলে অটো করে এসে স্টেশনের প্রধান গেটের সামনে ড্রামে করে লাশ ফেলে যায়।
সূত্রের খবর, এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আরও পাঁচজন নিখোঁজ। তাদেরও সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, এর আগেও দুই জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বেঙ্গালুরুর স্টেশন চত্বর থেকে। গত ৪ জানুয়ারি, যশবন্তপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে পড়ে থাকা একটি ড্রাম থেকেও পচা গন্ধ বের হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে পড়তেই এক সাফাই কর্মী তা রেল পুলিশের নজরে আনেন। ড্রাম খুলতেই উদ্ধার হয় তরুণীর পচাগলা মৃতদেহ। একইভাবে গত বছর ৬ ডিসেম্বর, বায়াপানাহাল্লি স্টেশনে একটি ট্রেনের বগির মধ্যে আরএক মহিলার দেহ উদ্ধার হয়।
তবে এই দুই খুনের (murder case) ঘটনার সঙ্গে সিরিয়াল কিলারের কোনও যোগ নেই বলেই মনে করছে পুলিশ।
১৫ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ দাদুর বিরুদ্ধে! মুখ বন্ধ রাখতে ১০ টাকা গুঁজে দিয়েছিল