
শেষ আপডেট: 10 May 2024 14:19
দ্য় ওয়াল ব্য়ুরো: গল্পের গরুকে যেভাবে গাছে তোলা হয়, সিবিআই-ইডিও সেই ভাবেই একপেশে তদন্ত করে বলে আগেও অভিযোগ করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
কেন্দ্রীয় এজেন্সির একপেশে তদন্ত বোঝাতে এবার গোয়েন্দা গল্পের চরিত্র জটায়ুর প্রসঙ্গ টেনে আনলেন অভিষেক। অক্ষয় তৃতীয়ার পূণ্য লগ্নে শুক্রবার কালীঘাট থেকে পদযাত্রা করে আলিপুর জেলা শাসকের অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে যান ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
সেখানেই অভিষেক বলেন, "সন্দেশখালি কাণ্ডে সিবিআই বা ইডির তদন্ত যে সঠিক পথে পরিচালিত হয়নি তা তো স্পষ্ট। এটা আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছিলাম, সবটাই সাজানো নাটক। এই যে রোবট নামিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের নাটক, সেটাও তো পরিকল্পিত।"
এরপরই গোয়েন্দা চরিত্র ফেলুদা এবং জটায়ুর উদাহরণ টেনে অভিষেক বলেন, "ফেলুদা নয়, সিবিআই-ইডির তদন্ত জটায়ুর মতো! জটায়ু যখন তদন্ত করতো তখন একটা লোককে চিহ্নিত করে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য তদন্ত করতো! আর ফেলুদা তদন্ত করে দেখতো ঘটনাটা কীভাবে হয়েছে,, আসল দোষী কে।"
অভিষেক বলেন, "যে ভিডিওটা জনমসমক্ষে এসেছে সেটা ৪ দিন হয়ে গেল, বিজেপি তো কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। জাতীয় মহিলা কমিশন, এসটি কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে। যে ভাবে বাংলাকে ২ হাজার টাকার বিনিময়ে দেশের কাছে ছোট করা হল তা লজ্জানজনক। বিজেপির দু'জন মণ্ডল সভাপতিও ক্যামেরার সামনে স্বীকার করেছেন, ভোটের জন্য সবটা সাজানো হয়েছিল। অভিযোগকারিনীরা নিজেরাই বলছেন, তাঁদের ভুল বুঝিয়ে সাদা কাগজে সই করানো হয়েছিল। কই, সিবিআই, ইডি তো এ ব্যাপারে সক্রিয় হয়নি।"
জটায়ুর উদাহরণ টেনে অভিষেক বোঝাতে চেয়েছেন, বিজেপির তৈরি করা স্ক্রিপ্ট হুবহু মেনে চলছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের হুঁশিয়ারি, "এই জল অনেকদূর গড়াবে। ভাইরাল ভিডিও নিয়ে দলগতভাবে আমি শীর্ষ আদালতে যাব। মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও অনুরোধ করেছি, তিনি যেন ভাইরাল ভিডিওর পুঙ্খানুপুঙ্খ পিডিএফ কপি রাজ্যকে সুপ্রিমকোর্টে জমা দিতে বলেন।বাংলার মা-বোনেদের সম্মান নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলতে আমরা দেব না।"