শেষ আপডেট: 29 October 2021 08:19
রাজ্যে শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব বাজি পোড়ানো যাবে। জানিয়েছে, রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। যে বাজিতে বোরিয়াম নাইট্রেট নামের কেমিক্যাল থাকতে পারবে না। সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম নাইট্রেট থাকবে একটি নির্দিষ্ট বেঁধে দেওয়া মাত্রায়। ওই বাজি তৈরির লাইসেন্স থাকতে হবে প্রস্তুতকারকদের। চম্পাহাটির বাজি প্রস্তুতকারক ও ব্যবসায়ী মৃদুল দেবনাথ বিষয়টিতে বলেন, 'নাগপুরে গ্রিন বাজি তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। শেখার পর লাইসেন্সের আবেদন করা যায়। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে তাঁদের পক্ষে তা সম্ভব নয়।'
রাজপুর-সোনারপুরের মানুষকে আটকাতে কলকাতায় মরসুমে প্রথম কনটেনমেন্ট জো়ন
সারাবাংলা আতশবাজি উন্নয়ন সমিতির সভাপতি বাবলা রায় বললেন, 'দূষণহীন বাজি হত সোনার পাথরবাটি। বাজিতে দূষণ হবেই। তবে সবুজ বাজিতে কম দূষণকারী কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। কিন্তু সেই প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স ব্যয়বহুল। এখন এই শিল্পের সঙ্গে যুক্তদের অবস্থা ভালো নয়। তাঁরা টাকা কোথায় পাবে।'
তাঁর মতে, পরিবেশ রক্ষায় অবশ্যই বাজি পোড়ানোয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি। কিন্তু বাজি শিল্পের সাথে জড়িত মানুষদের কী হবে? কীভাবে হবে তাঁদের উপার্জন? এটাও একটা ভেবে দেখবার বিষয়।
চম্পাহাটি ও নুঙ্গির বাজি শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ। এ বছর তেমন বাজি বিক্রি হয়নি। ফলে আর্থিকভাবে তাঁরা বিপর্যস্ত। তাঁদের দাবি, আগামী বছর থেকে তাঁরা যেন পরিবেশবান্ধব বাজি তৈরির অনুমতি পান। এবং তাঁদের অনুমোদন পুনরায় নবীকরণ করা হোক যাতে তাঁরা পরিবেশবান্ধব বাজি তৈরি করতে পারেন।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'