
শেষ আপডেট: 6 November 2020 13:32
কেদারনাথ ছাড়াও তুঙ্গনাথ, মদমহেশ্বর এবং কালীশিলার পাহাড়েও মাঝারিমাপের তুষারপাত হয়েছিল। পঞ্চচুল্লি, নন্দাদেবী-সহ হিমালয়ের আরও উঁচু অঞ্চলগুলোতে তীব্র তুষারপাত হয়েছে বলে জানা গেছে। সূত্রের খবর, তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ৫ ডিগ্রিতে নেমেছিল।
উত্তরাখণ্ডের চামোলি অঞ্চলে ভারী তুষারপাতের সঙ্গে সঙ্গে আরও একটি তীর্থক্ষেত্র বদ্রীনাথেও তুষারপাতের খবর পাওয়া গেছে। তাপমাত্রার পারদ নেমে যাওয়ার ফলে বদ্রীনাথের জলাশয়গুলোও বরফে পরিণত হয়েছিল। বদ্রীনাথের গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রার থেকে যথেষ্ট তাপমাত্রা হেরফের হয়েছে মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে। রবিবার সকালেও সকল তীর্থযাত্রীদের তাঁবুতে এবং ঝোপঝাড়ের মধ্যে বরফের আস্তরণ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
তাপমাত্রা অতিরিক্ত নিম্নমুখী হওয়ার কারণে বদ্রীনাথের সকল জলাশয় হিমশীলত হয়ে যায়, ফলত তীর্থযাত্রীদের বহু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। অত্যধিক ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা পেতে অনেক তীর্থযাত্রীরা আগুন জ্বালানোর ব্যবস্থা করেন। শুধু কেদার-বদ্রী নয়, নীলকান্ত, নারায়ণ পর্বত এবং হেমকুণ্ড সাহিবেও প্রচুর তুষারপাতের খবর পাওয়া গেছে।
ডিসেম্বর আসার আগেই বরফে ঢেকে গেছে ভারতের উত্তর। সেজে উঠতে শুরু করেছে প্রকৃতি, তার নিজের ছন্দে।