বেতন বকেয়া, নেই পেনশন, বন্ধ হয়ে গেল শ্যামনগরের জুটমিল! চলল ভাঙচুর, জ্বলল গাড়ি
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘদিন ধরে কারখানা না খোলায় এবং বকেয়া টাকা না মেলায়, প্রবল ভাঙচুর চলল কারখানার সামনে। কর্তৃপক্ষের দু'টি গাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রাস্তা অবরোধ করে চলছে বিক্ষোভ। শ্যামনগর ঘোষপাড়া রোডে ওয়েভারলি জুটমিল
শেষ আপডেট: 21 February 2020 04:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীর্ঘদিন ধরে কারখানা না খোলায় এবং বকেয়া টাকা না মেলায়, প্রবল ভাঙচুর চলল কারখানার সামনে। কর্তৃপক্ষের দু'টি গাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রাস্তা অবরোধ করে চলছে বিক্ষোভ। শ্যামনগর ঘোষপাড়া রোডে ওয়েভারলি জুটমিলের এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে শুক্রবার সকাল থেকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ এলে, পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।
সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ভাবে ক্ষতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল শ্যামনগরের এই চটকলটি। চলছিল আর্থিক মন্দা। বেতন মিলছিল না শ্রমিকদের। রাজ্য সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের যে পেনশন পাওয়ার কথা ছিল, সেটাও না দেওয়ার অভিযোগ ছিল জুটমিল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। শেষমেশ গত ২৯ জানুয়ারি বন্ধ হয়ে যায় কারখানাটি। এর পরে শ্রমিকপক্ষ ও মালিকপক্ষের বৈঠকের পরে ঠিক হয়েছিল, আজ, শুক্রবার খোলা হবে চটকল।
সেই মতোই শুক্রবার সকাল থেকে জুটমিলে আসতে শুরু করেন শ্রমিকরা। কিন্তু অভিযোগ, তাঁরা এসে দেখেন, কারখানা খোলা দূরের কথা, কারখানার গেটে ঝুলছে সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিস। এমন অবস্থা দেখেই খেপে যান শ্রমিকরা। গেটের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন প্রায় কয়েক হাজার শ্রমিক। কিছু পরে কারখানার ভিতরে ঢুকে অফিসেও ব্যাপক ভাঙচুর চালান তাঁরা। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা, ম্যানেজমেন্টের দু'টি গাড়িতে আগুনও ধরিয়ে দেন বিক্ষোভের জেরে।

খানিক পরেই জগদ্দল থানার পুলিশ চলে আসে ঘটনাস্থলে, পুড়িয়ে দেওয়া হয় পুলিশের একটি গাড়িও। এর পরে ঘোষপাড়া রোড অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। সকালের ব্যস্ত সময়ে রাস্তা অবরোধের জেরে নাকাল হন নিত্যযাত্রীরা। পরে পুলিশের মধ্যস্থতায় অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।