
শেষ আপডেট: 22 September 2023 18:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো, কোচবিহার: দুর্গা প্রতিমার মতই পুজো হয়। কিন্তু কোচবিহারে বড়দেবীর ( Baradevi) প্রতিমা দেখলেই বোঝা যাবে, তাঁর রূপ একেবারেই অন্যরকম।
আজ এই উপলক্ষ্যে মদনমোহন মন্দির (Madanmohan temple) থেকে প্রথমে হনুমান দণ্ড যাবে বড়দেবীর মন্দিরে। পাশাপাশি দুয়ারবক্সি অজয়কুমার দেববক্সি যাবেন বড়দেবীর মন্দিরে ( Baradevi)। পালকিতে চাপিয়ে সেই ময়নাকাঠ নিয়ে যাওয়া হবে বড়দেবী মায়ের মন্দিরে।
শনিবার রাধাষ্টমী। এই তিথিতেই বড়দেবীর মন্দিরে ময়নাকাঠের পুজো করার রীতি। মহাস্নান সেরে বিশেষ পুজো করে ময়নাকাঠ স্থাপন হবে। তার পর সেই ময়নাকাঠকে তিন দিন ধরে হাওয়া খাওয়ানো হবে। দেবীর শক্তি স্বরূপ ওই কাঠের উপর এর পর প্রভাত চিত্রকর শুরু করবেন খড়মাটির কাজ।
সেখানেই গড়ে তোলা হবে বড়দেবীর প্রতিমা। কোচবিহারের দেবত্তোর ট্রাস্ট বোর্ডের সেক্রেটারি বিশ্বদীপ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শনিবার ভোরবেলা ময়নাকাঠ মদনমোহন মন্দির থেকে বড়দেবীর মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে পুজো হবে ওই ময়নাকাঠের। ময়নাকাঠ বড়দেবী মায়ের মন্দিরে পৌঁছনোর পর নিয়ম মেনে প্রতিমা নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে যাবে।
কোচবিহারের মহারাজারা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বড়দেবীর পুজো ( Baradevi)। এই পুজো বহু প্রাচীন। অন্যান্য দুর্গা প্রতিমার সঙ্গে বড়দেবী মায়ের প্রতিমার অনেকটাই ফারাক। তা ছাড়া পুজোর রীতিনীতিতেও বহু বৈচিত্র্য রয়েছে।
এই প্রতিমা গড়ে তোলার আগে একটি ময়নাকাঠ প্রথমে জোগাড় করতে হয়। এ বছরও ময়নাকাঠ জোগাড় করে প্রথা মেনে প্রথমে ডাঙ্গরআই মন্দিরে পুজো করা হয়েছে। তার পর সময়ে সেই ময়নাকাঠ নিয়ে আসা হয়েছে মদনমোহন মন্দিরে। সেখানে এক মাস ধরে পুজোর পর এবার ময়নাকাঠ বড়দেবীর মন্দিরে নিয়ে আসা হবে। সেখানে পুজো করার পর ময়নাকাঠ স্থাপন করা হবে। মায়ের মূর্তি গড়ে তুলতে সময় লাগে। তবে বলা যেতে পারে শনিবার থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছেন বড়দেবীর পুজো পর্ব।
আরও পড়ুন: একশো-র কাজে কুড়ি টার্গেট মমতার, মুখ্যসচিবের নির্দেশ লক্ষ্যপূরণ করতেই হবে