
শেষ আপডেট: 4 July 2018 10:12
রাতে কর্মসূচি পরিদর্শনে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু [/caption]
এই কর্মসূচি কার্যত আলোড়ন ফেলে দিয়েছে বাম রাজনীতিতে। সিপিএম সহ অনেক বাম নেতা কল্পনাও করতে পারছেন না শুধুমাত্র মহিলা সমিতি একক ভাবে কী করে এমন রাতভর কর্মসূচি বাস্তবায়িত করল। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মহিলাদের জমায়েতের খবর ধর্মতলা থেকে ৩১ নম্বর আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে যেতে বেশি সময় লাগেনি। অনেক রাতে সভাস্থলে চলে আসেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুও। রাত ১২ টার পর ধর্মতলা এলাকায় মশাল জ্বালিয়ে মিছিল করেন মহিলারা।
সিপিএম-এর এক রাজ্য কমিটির নেতার কথায়, ‘মহিলারা পথ দেখাল। এ বার সব গণসংগঠনের এই পথে হাঁটা উচিত।’
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ঘরোয়া সভাগুলিতে সিপিএম-এর রাজ্য নেতারা যে বক্তৃতা দেন তার এক আনাও রাজপথে নামে না। ‘সন্ত্রাস’-এর অজুহাতে আন্দোলনই ভুলতে বসেছে সিপিএম। সেখানে দলের মহিলা সংগঠন এই কর্মসূচি করে আসলে দলকেই রাস্তায় নামার বার্তা দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।
সিপিএম-এর তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ আবার মহিলাদের এই কর্মসূচিতে বিশেষ উল্লসিত। প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগে শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত সংগঠনের রাজ্য সম্মেলনে রাজ্য সম্পাদিকার দায়িত্ব দেওয়া হয় অপেক্ষাকৃত কম বয়সী কনীনিকা ঘোষের হাতে। সিপিএম-এর তরুণ নেতৃত্বের বক্তব্য, কম বয়সী নেতৃত্ব পেয়েই এমন কর্মসূচির সাহস দেখাতে পেরেছেন মহিলারা।
বুধবার দুপুরে অবস্থানের পর বিধানসভা অভিমুখে মিছিল করেন বাম মহিলা সংগঠনের নেতৃত্ব কর্মীরা। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দিলে ধস্তাধস্তি বেধে যায়। কার্যত হিমসিম খেতে হয় পুলিশকে।
এখন দেখার মঙ্গলবার গভীর রাতে লেনিন মূর্তির পাদদেশে যে মশাল জ্বালাল দলের মহিলা সংগঠন তাতে আলিমুদ্দিনের নেতারা তেতে ওঠেন কিনা।