মমতাকে শপথ পড়াবেন কে? রাজভবনকে চিঠি পরিষদীয় দলের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হতেই হতো। রবিবার রেকর্ড ভোটে ভবানীপুর থেকে জিতেছেন তৃণমূলনেত্রী। এবার তিনি বিধায়ক হিসেবে শপথ নেবেন। কিন্তু কোথায় হবে দিদির শপথ? বিধানসভা নাকি রাজভবন
শেষ আপডেট: 4 October 2021 14:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হতেই হতো। রবিবার রেকর্ড ভোটে ভবানীপুর থেকে জিতেছেন তৃণমূলনেত্রী। এবার তিনি বিধায়ক হিসেবে শপথ নেবেন। কিন্তু কোথায় হবে দিদির শপথ? বিধানসভা নাকি রাজভবন? মমতাকে কে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন? অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়? কোথায়ই বা হবে বিধায়ক মমতার শপথ অনুষ্ঠান? তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
রাজ্যপাল অনুমতি দিলে তবেই বিধানসভার স্পিকার বিধায়কদের শপথগ্রহণ করাতে পারেন। সূত্রের খবর, সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্যপাল সেই অনুমতি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে এখন বিধানসভার স্পিকারকে যদি কোনও বিধায়ককে শপথগ্রহণ করাতে হয় তাহলে রাজভবনের অনুমতি লাগবে।
একথা জানার পরেই তৃণমূলের পরিষদীয় দল চিঠি লিখেছে রাজ্যপালকে। সূত্রের খবর, পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ফোনে কথাও বলেছেন রাজ্যপালের সঙ্গে। জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল বলেছেন, ওই অনুমতি প্রত্যাহার করা হয়েছে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত। তারপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে রাজভবন। তবে কেন ৬ অক্টোবর পর্যন্ত তার কোনও ব্যাখ্যা মেলেনি।
তৃণমূল চাইছে, মমতার শপথ অনুষ্ঠান হোক বিধানসভায়। তাঁকে বিধায়ক হিসেবে শপথবাক্য পড়ান স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ই। এও জানা গিয়েছে ঘনিষ্ঠ মহলে বিমানবাবু বলেছেন, বিধায়কদের শপথ বিধানসভাতেই হওয়াটা রীতি।
তৃণমূলের একাংশের নেতৃত্ব মনে করছে, রাজ্যপাল নিজের হাতে নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাইছেন। পাল্টা তৃণমূলও রাজভবনের উপর চাপ বাড়াতে চাইছে যাতে দিদির শপথ হয় রাজভবনে। শুধু তাই নয়। তৃণমূলের অনেকে মনে করছেন, ভাঙনের মুখে পড়া বিজেপিকে রক্ষা করতে রাজ্যপাল এ হেন ভূমিকা নিচ্ছেন।
এদিন বিধানসভায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, আমরা চাইছি, ৭ অক্টোবর বেলা ১২টার আগে বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথ অনুষ্ঠান হোক। তিনি বলেছেন, আমরা বিতর্ক চাই না। রাজ্যপালের চেয়ারকে অসম্মানও করতে চাই না। তবে তাঁরও দেখা উচিত বিধানসভার গরিমা যেন অক্ষুন্ন থাকে। যদিও রাজ্যপালের টুইটে সোমবার সন্ধে পর্যন্ত ধোঁয়াশা কাটেনি।
