
শেষ আপডেট: 2 September 2022 14:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বাঁকুড়া: হাসপাতালে বারবার ঘটছে রোগী মৃত্যুর ঘটনা। আর তার পরই রোগীর পরিবারের লোকেরা চড়াও হচ্ছেন হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসক, ইন্টার্ন ও ডাক্তারি পড়ুয়াদের ওপর। ফলে নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন তাঁরা। তাই নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতে এবার কর্মবিরতির ডাক দিলেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (Bankura Sammilani Medical College and Hospital) ১৫০ জন ইন্টার্ন, সহ প্রায় ৩৫০ জন ডাক্তারি পড়ুয়া (Students Protest)।
তাঁদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে মেল মেডিসিন ওয়ার্ডে পরপর দু'জন রোগী মারা যান। ওই সময় কোন অভিজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন না। এই অবস্থায় ওই দুই মৃত রোগীর পরিবারের হাতে আক্রান্ত হন কর্তব্যরত ইন্টার্নরা। এই ঘটনা নিয়ে এক মাসে তিনবার তাঁরা রোগীর পরিবারের হাতে আক্রান্ত হলেন।
এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার দাবি তুললেন তাঁরা। মুখের কথা নয়, কোনও প্রতিশ্রুতি নয়, এবার পাকাপাকিভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। কর্মবিরতিতে অংশ নেওয়া অনির্বাণ মণ্ডল, স্বপ্নিল ভট্টাচার্যরা জানান, একটা মেল মেডিসিন ওয়ার্ডে দু'জন ইন্টার্ন রাতের ডিউটিতে থাকেন। কিন্তু নিরাপত্তার জন্য মাত্র দু'জন লাঠিধারী কর্মী। 'পিজি' স্টাফ থাকলেও তাঁরা অন কলে ব্যস্ত থাকেন। ফলে রাতভর এই বিপুল পরিমান রোগীর চাপ দু'জন ইন্টার্নকেই সামলাতে হয়।
তাঁদের আরও অভিযোগ, রাতের দিকে কোন 'সিনিয়র' চিকিৎসককে পাশে পাওয়া যায় না। একই সঙ্গে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পরিকাঠামোগত অভাব তো রয়েছে। তাই এবার আর প্রতিশ্রুতি নয়, পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত তাঁরা কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন বলে জানান তাঁরা।
যদিও এই কর্মবিরতির কথা স্বীকার করেননি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ডিন চিকিৎসক রণদেব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'কোনও কর্মবিরতি চলছে না। ওদের একটু রাগ হয়েছিল, আমরা আলোচনায় বসছি। তবে এই মুহূর্তে হাসপাতালের সমস্ত পরিষেবা চালু রয়েছে, ওটি চলছে।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'হাসপাতালে কোনও রোগী মারা যাবেন না, এই কথা নিশ্চিত করা যায় না, চিকিৎসকরা প্রত্যেকটি রোগীকে সুস্থ করে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করেন।' পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
গাছের মগডালে উঠেছিল দশ ফুটের পাইথন! টানা একদিনের চেষ্টায় ধরলেন পরিবেশকর্মী