
শেষ আপডেট: 3 April 2023 15:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজু ঝা খুনের (Raju Jha Murder Case) ঘটনার অন্যতম সাক্ষী ব্রতীন মুখোপাধ্যায়। শনিবার আবদুল লতিফের সাদা এসইউভি গাড়িতে করে দুর্গাপুর থেকে শক্তিগড় আসার সময় রাজুর সঙ্গে তিনি ছিলেন। দুষ্কৃতীদের গুলিতে আহত হয়েছিলেন ব্রতীনও। তদন্তকারীদের হাতে তিনিই এখন বড় হাতিয়ার। এই পরিস্থিতিতে তাঁর বয়ান খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে অবশ্যই।
সেদিন গাড়িতে রাজু ঝায়ের সঙ্গে লতিফও ছিলেন! সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সেই লতিফকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি কোথায় গেলেন? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। কিন্তু তারমধ্যেই আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে, তা হল লতিফের সঙ্গে রাজুর কী সম্পর্ক ছিল? লতিফকে তিনি চেনেন কিনা এই প্রশ্ন উঠতে ব্রতীন বলেন, 'গুলি যখন চলেছে তখন গাড়ির বাইরে ছিলাম। আমি রাজু ছাড়া কাউকেই চিনি না।' রাজুর সঙ্গে লতিফের সম্পর্ক কী? ব্রতীন বলেন, 'রাজুর সঙ্গে ওর দাদাভাইয়ের সম্পর্ক।'
ব্রতীনের বয়ান ঘিরে নানান রহস্য দানা বাঁধছে। প্রশ্ন উঠছে তিনি যদি গাড়ির বাইরে থাকেন তবে কীভাবে তাঁর গায়ে গুলি লাগল? গাড়িতে লতিফ ছিল কিনা সেই নিয়েও প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেছেন ব্রতীন। যদিও লতিফের গাড়ির চালক নুর হোসেন দাবি করেন, ইলামবাজার থেকে লতিফকে নিয়ে তিনি দুর্গাপুর যান। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন ব্রতীন। তারপর গাড়িতে ওঠেন ব্রতীন মুখোপাধ্যায়। তারপর গাড়ি যায় রাজু ঝার ফরচুন হোটেলে।
নুর হোসেন আরও দাবি করেন, রাজুর হোটেলের সামনে ব্রতীন ও আবদুল নেমে যান। তিনি আরও দাবি করেন, ব্রতীন নুরকে দোকানে পাঠান। আর সেইসময়ই হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ এখনও এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করেনি। নুরের দাবি ঘিরে যেমন চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে, তেমনই ব্রতীন বয়ান ঘিরেও রহস্য তৈরি হয়েছে। এখন দেখা তদন্তকারীরা এই জট কীভাবে কাটান।
আবদুল লতিফ ছিলেন বহাল তবিয়তে, সিবিআইয়ের না খুঁজে পাওয়াও এক রহস্য