
শেষ আপডেট: 18 June 2022 12:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নার্সের চাকরি পাওয়ায় নয়, পরকীয়ায় জড়ানোয় হাত কেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত। দাবি করল রেণু খাতুনের (Renu Khatun) স্বামী শরিফুল শেখ। অভিযুক্তদের নিয়ে শনিবার ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ। নিয়ে আসা হয়েছিল শরিফুল –সহ চার অভিযুক্তকেই। এখানেই শরিফুল দাবি করে, বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রেখে যাচ্ছিলেন রেণু। তাই হাত কেটে নেওয়া হয়েছে। কৃতকর্মের জন্য অনুতাপও করেছে সে।
সম্প্রতি সরকারি হাসপাতালে নার্সের চাকরি পেয়েছিল রেণু। অভিযোগ, তারপরেই ৪ জুন ভোররাতে ভাড়া করা দুষ্কৃতীদের নিয়ে এসে ঘুমের মধ্যেই স্ত্রীর উপর চড়াও হয় রেণুর স্বামী শরিফুল। মাসতুতো ভাই চাঁদ মহম্মদের মাধ্যমে মুর্শিদাবাদ থেকে দুই দুষ্কৃতী আসরফ আলি সেখ ও হাবিব সেখকে ভাড়া করেছিল শরিফুল। তিনজনকে একসঙ্গেই নিয়ে এসেছিল কেতুগ্রামের কোজলসা গ্রামে তার বাড়িতে। ব্যবহার করা হয়েছিল রেণুর স্কুটি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায় ঘটনার রাতে বাড়ির বাইরে পাহারা দিচ্ছিল চাঁদ মহম্মদ। দুই দুষ্কৃতী আসরফ ও হাবিবকে নিয়ে ঘরে ঢোকে শের মহম্মদ ওরফে শরিফুল। কব্জি কাটার আগে সাঁড়াশি দিয়ে রেণুর মাথায় আঘাত করেছিল শের মহম্মদ। ঘটনার পর দুষ্কৃতীরা টাটাসুমো করে মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার তালগ্রামে ফিরে গিয়েছিল।
তদন্তের স্বার্থে শনিবার ধৃত চার অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। ঘটনার দিন তারা কী করেছিল পুলিশের সামনে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে করে দেখায় ধৃতরা। আর এখানেই বিস্ফোরক মন্তব্য করে রেণু খাতুনের স্বামী। সে জানায়, স্ত্রী চাকরি পাওয়ায় তার হাত কেটে নেওয়া হয়নি। সে দীর্ঘদিন ধরে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত। বারবার বারণ করেও কোনও ফল হয়নি, তাই তাকে শিক্ষা দিতে হাতের কব্জি কেটে নেওয়া হয়েছে। রেণুর হাত কেটে নেওয়ায় জন্য অনুশোচনাও করে শরিফুল।