
শেষ আপডেট: 29 September 2021 05:20
২) এই সময় ভেজা হাতে সুইচ বোর্ডে হাত না দেওয়া উচিত। চেষ্টা করুক অবিদ্যুৎবাহী শুকনো কিছু হাতে জড়িয়ে নিয়ে সুইচ বোর্ড ব্যবহার করতে। তা না করলে এই বর্ষা পরিধিতিতে বৈদ্যুতিক শক খাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
৩) খারাপ কোনো সুইচ থাকলে তা বদলে ফেলতে হবে। বিশেষত রান্নাঘর আর শৌচাগারের সুইচ গুলোতেই এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়।
৪) ঘরের কোথাও ঝুলন্ত তার থাকলে সেগুলো এড়িয়ে চলুন।
৫) বাড়ির যেকোনো মরচে পড়া পাইপ বদলে ফেলা দরকার। তা করা না হয়ে থাকলে সেগুলিও এড়িয়ে চলুন। পরিবর্তে মরচে পড়ে না এমন উপাদানের পাইপ ব্যবহার করতে হবে।
৬) বিদ্যুৎ চমকানোর সময় ঘরের বৈদ্যুতিক যন্ত্রগুলো বন্ধ রাখতে হবে। বিশেষত ইন্টারনেট রাউটার।
অনেকেই রুমের লোড অনুপাতে এসি ব্যবহার করেন না। ফলে এসি অনেকক্ষণ ধরে চালাতে হয়। ফলে সেটি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। নিম্নমানের এসি কিনলে সেগুলোর ভেতরে ফ্যান, তারের, বিদ্যুতের ব্যবস্থাগুলো ঠিক থাকে না। ফলে সেখানেও কারিগরি ক্রুটি দেখা যায়, যা অনেক সময় অগ্নিকাণ্ডের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঘটে বিদ্যুৎ বিপদ। বাড়িতে এমন এসি থাকলে এখন তা ব্যবহার না করাই ভাল। বর্ষাকালই হল সবচেয়ে বিপজ্জনক সময়, যখন ঘরে-বাইরে বিদ্যুৎ-বিপদ অনেকাংশে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই চার্জ হওয়ার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করাই উচিত। বৈদ্যুতিক সংযোগ, সকেট, ফিল্টার নিয়মিতভাবে পরীক্ষা করা।
এবার আসা যাক বাড়ির বাইরের বিপদের বিষয়ে। বৃষ্টির সময় বিদ্যুতের খুঁটি, পড়ে থাকা তার, রাস্তার পিলার-বক্স, ল্যাম্পপোস্ট থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হবে। একান্তই জলে হেঁটে ফিরতে হলে জুতো খোলা চলবে না। বর্ষার অন্যতম ঘাতক দু'টি জিনিস। এক, রাস্তায় পড়ে থাকা ছেঁড়া তার। আর দুই, জলমগ্ন রাস্তা। নীচে কোথায় কী পড়ে আছে, তা আগে থেকে বোঝা মুশকিল। খুবই সাবধানে চলাফেরা করা উচিত। বিশেষ করে বিকেল গড়িয়ে অন্ধকার নামলে জলমগ্ন রাস্তা দিয়ে যতটা সম্ভব কম চলাফেরা করুন।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'