
শেষ আপডেট: 16 July 2023 12:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শুক্রবারের পর ফের রবিবার ভাঙড়ের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি (Naushad siddiqui)। এদিনও তাঁকে পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হল। নিউ টাউন হয়ে হাতিশালার রাস্তা দিয়েই তিনি নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ঢুকতে যান। কিন্তু আগে থেকে পুলিশ, কেন্দ্রীয়বাহিনী এলাকাটি ঘিরে রেখেছিল।
পুলিশ তাঁকে জানায় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি আছে, কোনওভাবে তাঁকে যেতে দেওয়া যাবে না। পুলিশের এই কথা শুনে ভাঙড়ের বিধায়ক পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘১৪৪ ধারার মানে কী? এটা আপনি আমাকে বলুন। এই ভাবে আমার সাংবিধানিক অধিকার হরণ করা যাবে না।‘
যদিও নওসাদের এই প্রশ্নের উত্তর সরাসরি না দিয়ে সেখানে থাকা কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বিধায়ককে বোঝাতে থাকেন এলাকায় ১৪৪ ধারা রয়েছে তাই তাঁকে সেখানে যেতে দেওয়ার অধিকার সেই অফিসারের নেই। নওসাদ বলেন, 'আমি আপনার সমস্তটা অর্ডারটাই পড়েছি। এই অর্ডারের যে পয়েন্ট নিয়ে আপনি আমাকে যেতে দিচ্ছেন না, সেই পয়েন্ট এক্ষেত্রে খাটে না। আগে এটা বলুন এই এলাকা কি সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে পড়ে?'
নওসাদের দাবি, তিনি যদি কোনও বেআইনি কাজ করে থাকেন, তাহলে তাঁকে গ্রেফতার করা হোক। কিন্তু যে কোনও জায়গায় তাঁর স্বাধীনভাবে বিচরণ করার অধিকার সরকার এইভাবে আটকাতে পারে না। এটা অনৈতিক ও অসাংবিধানিক।
তিনি বারবার একা ভাঙড়ে যাওয়ার জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চাইলেও কোনও লাভ হয়নি বলে জানান নওসাদ। এর পরেই পুলিশের দ্বিচারিতা নিয়ে সরব হন পীরজাদা। তিনি বলেন, ভাঙড়ে তাঁর দফতরে প্রচুর কাজ পড়ে রয়েছে। সেখানে এক কর্মী যিনি নিরুদ্দেশ রয়েছেন তাঁর বাড়িতেও যাওয়ার দরকার। বিধায়ক হিসাবে কিছু উন্নয়নমূলক কাজও তাঁর সইয়ের অপেক্ষায় আটকে আছে। সেগুলো করতেই তিনি ভাঙড়ে যেতে চান। তিনি আরও বলেন, শওকত মোল্লা সাহেবরা ভাঙড়ে প্রকাশ্য জনসভা করছেন তাতে কোনও সমস্যা হচ্ছে না। এইভাবে সুকৌশলে তৃণমূল তাঁর গতিবিধি রুখতে চাইছে বলে দাবি করেন আইএসএফ বিধায়ক।
নওশাদ সিদ্দিকীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ভাঙড় ছাড়া করার হুঁশিয়ারি আরাবুলের