
শেষ আপডেট: 22 April 2022 14:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জেলার হাসপাতালগুলোর (WB Hospitals) 'রেফার' রোগ নতুন নয়। সেই নিয়ে গত ৯ এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে স্বাস্থ্য দফতর কড়া চিঠি পাঠায় হাস্পাতালগুলোতে। কোনও রোগীকে ফেরানো যাবে না। কিন্তু সেই নির্দেশই সার! দাওয়াইয়ের পরেও পুরোপুরি রোগ সারেনি হাসপাতালগুলোর। তাই এবার ফের কড়া মনোভাব নিল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)।
রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর, ফের ১৩টি হাসপাতালকে চিহ্নিত করেছে যেখানে ৭ শতাংশের বেশি রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে! সূত্রের খবর, সিএমএইচও ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কেন রোগী ফেরানোর হার ৭ শতাংশের নিচে নামানো যাচ্ছে না?
যদিও ৯ এপ্রিলের দেওয়ার চিঠির দাওয়াইয়ে 'রেফার' রোগ অনেকটাই কমানো গেছে। আগের চিঠিতে ৭ শতাংশের বেশি রোগী রেফার করা হাসপাতালের সংখ্যা ৩৯টি ছিল। সেখানে সেই সংখ্যা ১৩ তে এসে দাঁড়িয়েছে। কমলেও পুরোপুরি এই রোগ নির্মূল করতে তৎপর হল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।
৯ এপ্রিলের চিঠিতে বলা হয়েছিল, গত এক দশকে রাজ্যে (West Bengal) স্বাস্থ্য পরিকাঠামো বেড়েছে। প্রতিটি জেলায় অন্তত একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে বা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। সিসিইউ এবং এইচডিইউ বেডও বেড়েছে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল, মানুষ যাতে তাঁর বাড়ির কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা ও চিকিৎসা পায়। এতে চিকিৎসার আনুসঙ্গিক খরচ কমবে, তা ছাড়া রোগভোগ নিয়ে অনেক দূর যেতে হলে যে জটিলতা তৈরি হয়, তা হবে না।
কিন্তু রেফার রোগের পাল্লায় পড়ে রোগী ও আত্মীয়দের জেলা থেকে এসে কলকাতার এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতাল রোগীকে নিয়ে ছুটে বেড়াতে হয়। বাড়তে থাকে অ্যাম্বুলেন্সের বিলও! চিকিৎসায় দেরি হওয়ায় রোগীর শরীরে জটিলতা বাড়ে, মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে যায় অনেকের।
সভাপতি সনিয়া, গান্ধী পরিবারের বাইরে কেউ কার্যনির্বাহী সভাপতি, ফর্মুলা প্রশান্তর