
শেষ আপডেট: 17 August 2023 15:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের অর্থ সংকট তীব্র। তার মধ্যে শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী করবেন তা তিনি ছাড়া দ্বিতীয় ব্যক্তি জানেন না। কারণ বহু সময়েই হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন মমতা। তবে নবান্নর শীর্ষ সূত্রে বলা হচ্ছে, রাজ্যের কোষাগারের যা অবস্থা তাতে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের ভাতা (Imam allowance) বাড়ানোর কোনও পরিসর নেই। একই ভাবে পুজো কমিটিগুলির জন্য চাঁদা বা অনুদান (Durga puja donation) বাড়ানোরও প্রশ্ন ওঠে না।
২১ অগস্ট গোটা রাজ্যের ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অর্থ দফতরের অনেকের মতে, ইমাম-মোয়াজ্জেমরা ওই সম্মেলনে অবধারিত ভাবে তাঁদের ভাতা বাড়ানোর দাবি জানাতে পারেন। কারণ, এটা ঠিক যে দীর্ঘ দিন ধরে তাঁদের ভাতা বাড়েনি। ইমামরা মাসে ২৫০০ টাকা করে ভাতা পান। আর মোয়াজ্জেমরা ভাতা পান মাসে ১০০০ টাকা করে। রাজ্যের প্রায় ৩০ হাজার ইমাম ও ২০ হাজার মোয়াজ্জেম সরকারের থেকে এই আর্থিক সুবিধা পান।
এই অবস্থায় ২১ তারিখের বৈঠকের জন্য প্রমাদ গুনছে অর্থ দফতর। কর্তাদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহানুভূতিশীল হয়ে যদি কিছু একটা বাড়ানোর ঘোষণা করেন, তা হলে আবার পুজো কমিটিগুলোর জন্য অনুদান বাড়ানোর প্রশ্ন উঠবে। কারণ পরের দিন অর্থাৎ ২২ অগস্ট নেতাজি ইন্ডোরে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। রাজ্যের ৪২ হাজার ২৮টি পুজো কমিটিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে গত বছর। অর্থাৎ পুজোর অনুদান বাবদ ২৪০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে সরকারের। গত বছরও তাদের জন্য অনুদান ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০ হাজার টাকা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার আর বাড়ানোর মতো পরিস্থিতি নেই কোষাগারের।
অর্থ দফতরের এক আমলার কথায়, মুখ্যমন্ত্রী কোষাগারের পরিস্থিতি জানেন। ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের আগে তাঁকে এ সংক্রান্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর মনে কী আছে, তার হদিশ ঈশ্বর বা আল্লাহ-ও সম্ভবত জানেন না। তবে এটুকু ধরে নেওয়া যেতে পারে যে মুখ্যমন্ত্রী এ ব্যাপারে ভারসাম্য রেখেই চলবেন।
স্নেহমঞ্জুর উত্তরে ‘চূড়ান্ত অসন্তুষ্ট’ শিশু সুরক্ষা কমিশন! বলল, সদিচ্ছার অভাব, অখুশি ইউজিসিও