প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন বিশ্বভারতীর বিদ্যুৎ, নিরাপত্তার দাবিতে পুলিশকেও ই-মেল
দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে (viswabharati university) বিশৃঙ্খলা লেগেই আছে। উপাচার্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ চরমে উঠেছে। পড়ুয়াদের বিক্ষোভে কার্যত বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে বিশ্বভারতী। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন বিশ্
শেষ আপডেট: 1 September 2021 02:21
দ্য ওয়াল ব্যুরোঃ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে (viswabharati university) বিশৃঙ্খলা লেগেই আছে। উপাচার্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ চরমে উঠেছে। পড়ুয়াদের বিক্ষোভে কার্যত বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে বিশ্বভারতী। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী (bidyut chakrabarty)।
আরও পড়ুনঃ বিশ্বভারতীতে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, বিদ্যুতের বিরুদ্ধে পোস্টার, পুলিশি নিরাপত্তা চাইল বিশ্ববিদ্যালয়
সূত্রের খবর, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী নিজের নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যকে চিঠি লিখেছেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন তিনি নিজের বাসভবনে বন্দি রয়েছে। না পারছেন ঢুকতে, না পারছেন বেরোতে। শুধু তাই নয়, বীরভূম জেলা পুলিশের কাছেও নিরাপত্তা চেয়ে ই-মেল পাঠিয়েছেন বিদ্যুৎ।
মঙ্গলবারও সারাদিন উত্তপ্ত ছিল শান্তিনিকেতন। শোনা গিয়েছিল সকাল থেকে পূরবী ও বলাকা গেটে তালা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কর্মীরা ভিতরে ঢুকতে পারেননি। তাঁরাও রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুপুর পর্যন্ত। পড়ুয়াদের অভিযোগ, কর্মীদের বলা হয়েছে ছাত্র আন্দোলনের ফলে এমন হচ্ছে। কিন্তু উপাচার্যের নির্দেশেই তালা ঝুলিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় পৃথক আর একটি এফআইআর দায়ের করেছেন পড়ুয়ারা।
এদিন উপাচার্যের বিরুদ্ধে পোস্টার লাগায় ছাত্ররা। এমনিতে ছাত্র আন্দোলনের বৈশিষ্ট হচ্ছে চমকপ্রদ স্লোগান। যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি সেসবের সাক্ষী। হোক কলরবের সময়েও যাদবপুরের তৎকালীন ভিসি অভিজিৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়েছিল, ভিসি তুমি বাজে লোক, তোমার মাথায় উকুন হোক। এদিন শান্তিনিকেতনে দেখা গেল পড়ুয়ারা পোস্টারে লিখেছেন, ‘বিদ্যুতের বাড়লে তেজ, কমিয়ে দাও ভোল্টেজ।’
সোমবার ভিসি বাংলোর সামনে ব্যানার ঝোলানো নিয়ে যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছিল তা নিয়ে শ্লীলতাহানির এফআইআর দায়ের করেছেন কয়েকজন ছাত্রী। তাঁদের অভিযোগ, পুরুষ নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের গায়ে হাত দিয়েছেন। এদিন ক্যাম্পাসে মিছিল করার কথা ছিল বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের। কিন্তু তা হয়নি। দুপুর পর্যন্ত সৃজন ভট্টাচার্য, ঐশী ঘোষরা অবস্থান মঞ্চে বসে ছিলেন।
উপাচার্যকে লাগাতার ঘেরাও করে রাখার কারণ দেখিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশিকা জারি করেছিল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারপর সেমিস্টারের রেজাল্ট বের করা হবে না বলেও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'