বিজেপির জনসভার পরেই উত্তপ্ত হাড়োয়া, বাড়ি ভাঙচুর
দ্য ওয়াল ব্যুরো : বৃহস্পতিবার হাড়োয়া গোপালপুরে জনসভায় এসেছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। ওই সভায় বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু ভাষণে বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা যদি বিজেপির পোস্টার, ব্যানার লাগাতে বাধা দেয়, তাদের মেরে পা ভেঙে দিন। তার
শেষ আপডেট: 10 May 2019 15:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো : বৃহস্পতিবার হাড়োয়া গোপালপুরে জনসভায় এসেছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। ওই সভায় বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু ভাষণে বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা যদি বিজেপির পোস্টার, ব্যানার লাগাতে বাধা দেয়, তাদের মেরে পা ভেঙে দিন। তার পরেই উত্তেজনা ছড়ায় গোপালপুর ও তার আশপাশের কয়েকটি গ্রামে।
পুলিশের দাবি, শুক্রবার সায়ন্তনবাবু হাড়োয়ার খাস বালান্দার রায়খাঁ গ্রামে গেলে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে বচসা বাধে। কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ গিয়ে কোনওরকমে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
এদিন দুপুরে গোপালপুরের লেবুতলায় বাইকে চড়ে যাচ্ছিলেন বিজেপির ব্লক সভাপতি অনুপ মণ্ডল ও আর একজন। অনুপবাবু দাবি করেন, তৃণমূল দুষ্কৃতীরা তাঁদের পথ আটকায়। মোবাইল ফোন ও কয়েক হাজার টাকা কেড়ে নেয়। বাধা দিলে বাইক ভাঙচুর করে।

বিজেপির জেলা সভাপতি গণেশ ঘোষ বলেন, পরাজয় আসন্ন বুঝে তৃণমূলীরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা আমাদের প্রার্থীকে হুমকি দিচ্ছে। নেতা-কর্মীদের মারধর করছে। তাদের বাড়ি, মোটরবাইক ভাঙচুর করছে। টাকা কেড়ে নিচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে, এই পরিস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে ভোট হওয়া কি সম্ভব?
হাড়োয়ার তৃণমূল নেতা সঞ্জু বিশ্বাস এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিজেপি নেতারা হিংসাত্মক মন্তব্য করে এলাকার শান্তি নষ্ট করতে চান। মানুষ প্রতিবাদ করায় তাঁরা ভুলভাল অভিযোগ করছেন। সামান্য পারিবারিক ঘটনা নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করতে নেমেছে।