
শেষ আপডেট: 16 December 2022 18:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এ যেন রথ দেখা আর কলা বেচা একইসঙ্গে। অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে সংসারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনে নিয়ে যেতে হয় অনেককেই। সারাদিনের কাজের পর দোকানে দোকানে ঘুরতে ক্লান্ত লাগে বটে। কিন্তু সেই দোকান যদি আপনার সঙ্গে সঙ্গেই চলে, তাহলে কেমন হয়? তেমনটাই ঘটছে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে হলদিবাড়ি প্যাসেঞ্জার (NJP-Haldibari) ট্রেনে। যাত্রী পরিবহণের জন্য নির্দিষ্ট কামরার ভিতরেই পুরোদমে বিক্রি হচ্ছে শাক-সবজি (vegetable market on running passenger train)।
হ্যাঁ, এনজেপি-হলদিবাড়ি প্যাসেঞ্জার ট্রেনে এমনই দৃশ্য সাক্ষী হচ্ছেন নিত্যযাত্রীরা। চলন্ত ট্রেনের বেশ কয়েকটি কামরায় নিয়মিত বিক্রি হচ্ছে পালং শাক, বেগুন, ফুলকপি, মূলো, ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা সহ বিভিন্ন প্রকারের শাকসবজি। নিত্যযাত্রীরা দিব্যি ভিড় করে কিনছেনও সেসব। কিনবেন নাই বা কেন? বাড়ির ফেরার পথে আলাদা করে বাজারে না গিয়ে ট্রেনেই যদি মেলে টাটকা সবজি, তাহলে তো সোনায় সোহাগা।
সূত্রের খবর এক দু-দিন নয়, প্রতিদিন রাতেই এনজেপি-হলদিবাড়ি ডিএমইউ প্যাসেঞ্জার ট্রেনে এই দৃশ্য দেখা যায়। জানা গেছে, সবজি বিক্রেতারা প্রচুর পরিমাণ সবজি নিয়ে প্রতিদিনই হলদিবাড়ি থেকে শিলিগুড়ি এবং জলপাইগুড়ির বাজারে যান। দিনভর সেখানে বিক্রিবাটা সেরে শেষ ট্রেনে হলদিবাড়ি ফিরে যান তাঁরা। আর সেই সময়েই বেঁচে যাওয়া সবজি ট্রেনের যাত্রীদের কাছে বিক্রি করেন তাঁরা। দুটি প্যাসেঞ্জার ট্রেন দিনে মোট ৬ বার যাতায়াত করে। রাতের ট্রেনগুলিতেই মূলত এই দৃশ্য দেখা যায় বলে জানা গেছে।
অনেক যাত্রীর পক্ষেই বিষয়টি সুবিধাজনক হলেও ট্রেনের ভিতরে এভাবে সবজি বিক্রির বিরোধিতা করছেন যাত্রীদের একাংশ। যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় না রেখে প্যাসেঞ্জার ট্রেনের সাধারণ কামরায় নিয়মিত এই ধরনের বিক্রিবাটা সমস্যাজনক বলেই দাবি অনেকের। তাছাড়া ট্রেনের কামরায় এভাবে সবজি বিক্রি বেআইনি বলেও দাবি তুলেছেন অনেকে।
এই প্রসঙ্গে সরাসরি মুখ খুলতে চাননি জলপাইগুড়ি স্টেশনের আরপিএফ আধিকারিকরা। যদিও তাঁদের সাফাই, বিষয়টি তাঁদের নজর এড়িয়ে গেছে। এই নিয়ে ট্রেনগুলিতে অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
স্বল্পবসনা স্মৃতি ইরানির ২৪ বছরের পুরনো ভিডিও ভাইরাল, তৃণমূলকে তোপ লকেটের