
শেষ আপডেট: 28 October 2019 06:28
হোয়াইট হাউস সিচুয়েশন রুমের বাইরে নিজের অভিজ্ঞার কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলাল্ড ট্রাম্প[/caption]
বিভিন্ন কোণ থেকে তোলা সিরিয়ার ইলবিদে আল বাগদাদির ডেরার ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে, কোনওটা একেবারে উপর থেকে তোলা, কোনওটা পাশ থেকে। থার্মাল ইমেজও ছিল, সেখানে মানুষ বা অন্য কিছুর নড়াচড়া স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছিল। যদিও সুড়ঙ্গের ভিতরে যে ফুটেজ দেখানো হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে, সেখানে আল-বাগদাদি কাঁদছেন নাকি গোঙাচ্ছেন, তা স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। এ ব্যাপারে অবশ্য সেনার দেওয়া রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করতে হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। অপারেশন যেখানে হচ্ছে সেখান থেকে ধাপে ধাপে সেনাপ্রধান পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছয় রিপোর্ট। সেই রিপোর্টই যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে।
আল বাগদাদি কাঁদছিলেন নাকি গোঙাচ্ছিলেন, সেই প্রসঙ্গ পাশ কাটিয়ে গেছে মার্কিন সেনার সদর দফতর পেন্টাগন। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক টি এসপারকেও যখন বার বার জিজ্ঞাসা করছিল একটি মার্কিন সংবাদপত্র, তখনও তিনি গোঙানি শব্দটি বলেননি। তিনি বলেন, “এই ব্যাপারটা আমার ঠিক জানা নেই, হয়তো অকুস্থলে যাঁরা ওই অপারেশনটি করেছেন সেই কমান্ডোদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট।” প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক কর্তাও বলেছেন, প্রেসিডেন্ট নিশ্চয়ই কোনও কমান্ডোর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাঁদের কাছে সে কথা শুনেছেন।
প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যাঁরা কথা বলেছেন তাঁদের পরিচয় পর্যন্ত গোপন রাখা হয়, জনসমক্ষে তাঁদের কথা বলার কোনও প্রশ্নই নেই। তাই দীর্ঘ বক্তৃতায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে সব কথা বলেছেন, সেই সব কথা যাচাইয়ের কোনও উপায় নেই।
তবে ঘটনাটি যখন ঘটছে তখন প্রেসিডেন্ট কারও সঙ্গে কথা বলেননি। কারণ এই ধরনের অপারেশনের কৌশল, কাজের মাঝে কোনও রকম সমালোচনা-মন্তব্য, দ্বিতীয় কোনও সম্ভাবনা তুলে ধরা – এসব চায় না সেনা থেকে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক – কেউই।
এখন আর হেলমেটে রাখা ক্যামেরার ছবি সরাসরি দেখানো হয় না কমান্ডো অফিসে, কারণ বার বার তাঁরা মন্তব্য করতে থাকলে, নির্দেশ দিতে থাকলে অপারেশনে সমস্যা হয় কমান্ডোদের। অপারেশন শেষ হয়ে গেলে সেই সব ভিডিও ফুটেজ ডাউনলোড করে তা দেখানো হয়।
ট্রাম্প নিজেও অবশ্য বলেছেন, অপারেশন চলার সময় তিনি ওই অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত কারও সঙ্গে কোনও কথা বলেননি।
পড়ুন 'দ্য ওয়াল' পুজো ম্যাগাজিন ২০১৯–এ প্রকাশিত গল্প: শয্যা উত্তোলন
https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/%e0%a6%b6%e0%a6%af%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8/