
শেষ আপডেট: 23 November 2022 06:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় প্রসবের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এইচআইভি পজিটিভ মহিলা। কিন্তু এইচআইভির কথা জানার পরেই নাকি তাঁকে ছুঁতে অস্বীকার করেন (refused to touch HIV+ woman) সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। ফলে, প্রসব হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় সদ্যোজাতের (infant death)।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদের একটি সরকারি হাসপাতালে (UP hospital)। সূত্রের খবর, সোমবার বিকেলে ২০ বছর বয়সি ওই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তাঁর অভিভাবকরা। মহিলার বাবার অভিযোগ, তিনি এইচআইভি পজিটিভ জানার পরেই তাঁকে ছুঁতে অস্বীকার করেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। মেয়ে দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা প্রসব যন্ত্রণায় কাতরানোর পর হাসপাতালের ইনচার্জ সঙ্গীতা আনেজার কাছে ছুটে যান মহিলার বাবা মা। এরপর ওই ইনচার্জের হস্তক্ষেপেই রাত সাড়ে ৯টার সময় অবশেষে মহিলার অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু প্রসবের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় সদ্যোজাতের।
মহিলার বাবা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মেয়েকে নিয়ে তাঁরা একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা জানান, জটিল অস্ত্রোপচার করতে ২০ হাজার টাকা খরচ হবে। এরপরেই মেয়েকে নিয়ে ফিরোজাবাদের ওই সরকারি হাসপাতালে আসেন তাঁরা। কিন্তু দুপুর ৩টে থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত স্ট্রেচারেই ফেলে রাখা হয় মহিলাকে। কোনও চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্যকর্মী তাঁকে ছুঁয়েও দেখেননি বলে দাবি মহিলার বাবার।
যদিও হাসপাতালের ইনচার্জ সঙ্গীতা আনেজার দাবি, চিকিৎসকরা মহিলার এইচআইভি পজিটিভ হওয়ার কথা জানতেন না। 'আমি যখন জানতে পারি, সঙ্গে সঙ্গে আমি তদন্ত কমিটি গঠন করি। আমি সবার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, বাকিদের মতোই ওই মহিলারও সাধারণ পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু তখন তাঁরা এইচআইভির ব্যাপারে জানতেন না। বিকেল ৪টে নাগাদ সবাই জানতে পারার পর সারাক্ষণই চিকিৎসকরা ছিলেন তাঁর সঙ্গে। ৯টা নাগাদ প্রসব করানো হয়। তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পর কারও গাফিলতি রয়েছে দেখলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে,' জানিয়েছেন সঙ্গীতা আনেজা।
সামনেই ঘনিষ্ঠ হতে পরামর্শ! তারপর কুপিয়ে, গলা কেটে যুগলকে খুন তান্ত্রিকের